মেইন ম্যেনু

তীব্র তাপদাহে অস্বস্তিতে পড়েছে শ্রমজীবি মানুষ : এক পসরা বৃষ্টির প্রতিক্ষায়

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা : গ্রীষ্মের প্রখর তাপদাহে নওগাঁর আত্রাইয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। টানা তাপদাহের অস্বস্তিতে পড়েছে শ্রমজীবি মানুষ। সূর্য তেজদীপ্ত উদিত হয়ে দিনমানবদাহে পোড়াচ্ছে প্রাণীকুল। শুধুৃ মানুষ নয়, গোটা প্রাণীকুল দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে একটু স্বস্তির জন্য এক পসরা বৃষ্টির প্রতিক্ষায়। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রোদের তেজ থাকায় লোকজন স্বস্তিতে চলাফেরা করতে পারছে না। একটু চলাফেরায় ঘাম লবণে হাসফাস করতে দেখা গেছে অনেকেই। দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎকরা বারবার হাতমুখ ধোয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই সাথে প্রচন্ড গরমের মধ্যে থেকে ফিরেই বেশি ঠান্ডা বা ঠান্ডা পানীয় বা শরবত পান না করার পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রচন্ড গরেেমর শ্রমজীবি মানুষ বিশেষ করে দিনমুজুর ও রিকশা চালকদের সমস্যা প্রকোট আকার ধারণ করেছে।

অন্যদিকে বৈশাখের ভয়াবহ তাপদাহের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দিনে ও রাতে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং। বিদ্যুতের এই জ্বালা থেকে কোথাও রেহাই নেয়। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকার প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতায় পৌছার পরও গ্রামীন এই জনপদে লোডশেডিং কি কারণে হচ্ছে তা জনগনের বোধগম্য নয়।

এ বিষয়ে নওগাঁ পল্লী বিদুৎ সমিতি আত্রাই জোনের এজিএম মোঃ আবুল কাশেম বলেন, আত্রাই উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১১ মেগাওয়াট কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৫ মেগোয়াট। গ্রিড বিপর্য্যয়ের জন্য এ ঘাটতি সৃষ্টি হওয়ায় লোডশেডিং বেড়ে গেছে। এটি মেরামত হলেই আর লোডশেডিং থাকবে না বলে জানান তিনি।

তবে অনেকে রোদের তীব্রতার জন্য জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। বড়িতেই রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে দিন রাতে ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিংহচ্ছে। একদিকে প্রচন্ড খরতাপ অন্যদিকে ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং থেকে বাঁচতে মানুষ বিভিন্ন পানীয় পান করছে। বিভিন্ন কেম্পানির কোল্ড ড্রিংসহ আত্রাই উপজেলার সদরসহ বিভিন্ন হাট বাজারের অলি গলিতে বসেছে পানীয় শরবতের দোকান। প্রতি গ্লাস ৫/১০ টাকা। তবে এসব শরবত পানে সর্তক থাকা প্রয়োজন।বিশেষ করে অপরিস্কার বরফ ও কেমিক্যাল ব্যবহারের অভিযোগ থাকায় এসব পানে জন্ডিসসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়াও লোকজন প্রচন্ড এ খরতাপে শরীর ফিট রাখতে দোকান থেকে স্যালাইন, পানীয়, ফল তরমুজ পেঁপে ডাব আনারস লেবু কিনছেন । এসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে দামও বেড়ে গেছে। আত্রাইয়ে তাপমাত্র বেড়ে ৩৯ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহের অধিক সময় ধরে তাপমাত্রায় এই প্রখরতায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রার স্ববিরতা নেমে এসেছে। মাঠ, ঘাট, প্রান্তর খাঁ খাঁ করছে। আবহাওয়া অফিস থেকে কোনো সু-খবর নেই। বিশেষ করে শ্রমজীবি ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। পেটের তাগিদে প্রচন্ড খরতাপেও তাদের কায়িক শ্রম দিতে হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই