মেইন ম্যেনু

তৃণমূলের কারণে টিকে আছে আ.লীগ

দলের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের অবদানকে স্মরণে নিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘তৃণমূল নেতাকর্মীদের কারণে আওয়ামী লীগ শত প্রতিকুলতার মাঝেও টিকে গেছে। তারাই দলকে সুসংগঠিত করে রেখেছেন।’

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বৈঠকের সভাপতিত্ব করছিলন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্য বহু চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ একটি আদর্শের উপর গড়ে উঠায় এটিকে শেষ করা সম্ভব নয়। উপমহাদেশে যে কয়েকটি পুরোনো দল আছে তার মধ্যে মধ্যে আওয়ামী লীগ একটি। উজানে নাও ঠেলে ঠেলেই অভিষ্ঠ লক্ষে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়ে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির সব বড় বড় অর্জন এনে দিয়েছে। সেজন্য আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতা কর্মী ও দেশবাসীকে অভিনন্দন জানাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাঙালি জাতি আপন মহিমায় বিশ্বব্যাপী উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রিকেট বাংলাদেশে সফলতা অর্জন করেছে, আরো করবে। বাংলাদেশ এশিয়ার একটি শান্তিপূর্ণ দেশে রূপ নেবে। উন্নত দেশে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী আম্রকাননে সিরাজদৌল্লার পতন হয়েছিল। আর আওয়ামী লীগের জন্ম হল সেই ২৩ জুন। বাংলার যে স্বাধীনতার সূর্য অস্তামিত হয়েছিল সেই স্বাধীনতার সূর্য উদিত করার জন্যই আওয়ামী লীগের জন্ম।’

আওয়ামী লীগের ইতিহাসই হচ্ছে বাঙালি জাতির অর্জনের ইতিহাস- এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ আওয়ামী লীগের ইতিহাস অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার ইতিহাস। এই আওয়ামী প্রতিষ্ঠা হয় অসম্প্রাদায়িকতা প্রতিষ্ঠার জন্য। এই মাটিতে প্রতিটি জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠা হয়, অসাম্প্রদায়িক চেতনায় যাতে এ জাতি এগিয়ে যেতে পারে সেজন্য আওয়ামী লীগ কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মানুষের আস্তা বিশ্বাস সবসময় আওয়ামী লীগ অর্জন করেছে ত্যাগের বিনিময়ে। বঙ্গবন্ধু আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন যে বাংলাদেশকে স্বাধীন করবেন। অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়ার পর থেকে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলেছে।’

স্বাধীনতার পর মাত্র তিন বছরে বঙ্গবন্ধু শেষ মুজিবুর রহমান সব কাজ করে গিয়েছিলেন দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ এর পর এই দলটিকে শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা কর্মীরাই এই দলটিকে সুসংগঠিত রেখেছে। ১৯৭৫ থেকে ৯৬ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ কি পেয়েছে? তাদের কোনো অধিকার ছিল না। কিন্তু আওয়ামী লীগ আজীবন মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছে। ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২১ বছর পর জনগণ উপলব্ধি করতে পেরেছিল আওয়ামী লীগ জনগণের সেবক। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার সময় বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা থাকা সত্ত্বেও এ দেশ এগিয়ে গেছে। তখন জনগণ আমাদের উপর দায়িত্ব দিয়েছিল, সেই দায়িত্ব আন্তরিকতা সাথে পালন করে যাচ্ছি। এই দেশ যাতে উন্নত সমৃদ্ধ করতে পারি সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’






মন্তব্য চালু নেই