মেইন ম্যেনু

থার্টি ফার্স্ট নাইটে জঙ্গিদের অপতৎপরতা ঠেকাতে সতর্ক পুলিশ-গোয়েন্দারা

থার্টি ফার্স্ট নাইটে জঙ্গিদের যে কোনো অপতৎপরতা ঠেকাতে রাজধানীতে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন কোনো ধরনের নাশকতা ঘটাতে বিন্দুমাত্র সুযোগ দেয়া হবে না জঙ্গিদের।

সকাল থেকেই রাজধানীর গুলশান বনানীতে চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশের তল্লাশি। বিশেষ বিশেষ এলাকায় নারী গোয়েন্দাদের নজরদারী।

রাত ৮টা থেকে ওই নিরাপত্তা নিচ্ছিদ্র করা হবে গুলশান বনানী বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও আশপাশের এলাকায়। যেতে হবে তল্লাশি পেরিয়ে। অন্য এলাকাগুলোতেও রয়েছে কড়া নিরাপত্তা।

তেজগাঁও অপরাধ বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, জঙ্গিরা কোনো একটি ঘটনা ঘটালেও ঘটাতে পারে। তাই পুলিশকে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। এবং জঙ্গিরা যেনো কোনোরকমের সুযোগ না পায়, সেভাবেই আমরা কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

থার্টি ফার্স্ট নাইটে রাজধানী থাকবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা। রাজধানীর গুলশান বনানী এলাকার বাসিন্দাদের রাত আটটার মধ্যে বাড়ি ফিরতে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ছয়টার পরে বহিরাগত মানুষ ও যানবাহন প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর উপরে নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও, উন্মুক্ত স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ছয়টার পরে বার খোলা রাখা এবং রাত আটটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ডিএমপি।

বিপ্লব কুমার সরকার আরো জানান, নাশকতার জন্য যে ধরনের সামগ্রী যেমন অস্ত্র-গোলাবারুদ সেগুলো যেন কেউ বহন করতে না পারে, সেজন্য আমরা চেকপোস্টগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনা করছি। উৎসব উৎযাপনে কেউ যেন নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে না পারে সেজন্য আমরা সতর্ক আছি।

রাজধানী জুড়ে থার্টি ফার্স্ট নাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও গোয়েন্দা। সতর্কাবস্থায় থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স, বোম্ব জিসপোজাল ইউনিট, আর বিশেষ বাহিনী স্পেশাল উইপন এন্ড ট্যাকটিস সোয়াট।






মন্তব্য চালু নেই