মেইন ম্যেনু

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরী: উত্তপ্ত চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ প্যারাসেল আইল্যান্ডের ট্রিটন দ্বীপের কাছাকাছি এলাকায় সমুদ্রে চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে একটি মার্কিন রণতরী কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করে। মার্কিন রণতরীর অবস্থানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক।

পেন্টাগনের দাবি, ওই এলাকায় প্রবেশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের চেষ্টাকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই এই অবস্থান। অপরদিকে ওই দ্বীপের অন্যতম দাবিদার চীন এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আইন ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে।

প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের কর্তৃত্ব নিয়ে চীন এবং আরো কয়েকটি জাতির মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এক বিবৃতিতে জানায়, আঞ্চলিক এই বিরোধে তারা কোনোভাবে জড়াতে চায় না। তবে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌ রুটটিতে অবাধ প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।ওই নৌযানটি প্যারাসেল আইল্যান্ডের ট্রিটন দ্বীপের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস কার্টিস উইলবার’ ট্রিটন আইল্যান্ডের ১২ কিলোমিটারের মধ্যে নোঙর করে এবং সেসময় ওই এলাকায় কোনও চীনা জাহাজ ছিল না।

পেন্টাগনের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন জেফ ডেভিস বলেন, চীন, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনাম এই তিন দাবিদারের পক্ষ থেকে নৌ যোগাযোগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধীনতা খর্বের চেষ্টাকে চ্যালেঞ্জ করতেই এমন পদক্ষেপ।

তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে পূর্ব অনুমতি না নিয়ে চীনের জলসীমায় প্রবেশ করে আইন ভেঙেছে।

আগে থেকে কোনও দাবিদারকেই যে বিষয়টি জানানো হয়নি তা স্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তাদের দাবি, মার্কিন এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য মেনেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

এ ধরনের আরেকটি অভিযানের অংশ হিসেবে গত বছর স্প্রাটলি আইল্যান্ডে রণতরী নিয়ে অভিযান চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সে সময়ও বিষয়টি চীনের সমালোচনার মুখে পড়েছিল।






মন্তব্য চালু নেই