মেইন ম্যেনু

দখলকারীদের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান, জনমনে প্রশ্ন

টিপু সুলতান (রবিন), সাভার থেকে: সাভারে সড়ক ও জনপথের জমি দখলকারীদের নেতৃত্বেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। এসময় দখলকারী ও প্রভাবশালীদের কর্তৃক গড়ে উঠা বড় ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করে শুধুমাত্র উচ্ছেদের নামে সড়কের পাশের ছোট ছোট টং দোকান ও ভাসমান স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত শনিবার দুপুরে সাভারের উলাইল এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় এসব অভিযোগ করেন সাধারন ও স্থানীয় জনতা।

সরেজমিনে উলাইল এলাকায় উপস্থিত হলে কোন নির্বাহী ম্যাজিট্রেটের উপস্থিতি ছাড়াই সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মচারী দুলালের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে দেখা গেছে। এসময় অজ্ঞাত কারনে বড় বড় অবৈধ স্থাপনা অস্তত রেখে লোক দেখানো অভিযান হিসেবে ছোট ছোট টং দোকান, বাঁশের বেড়া, সিমেন্টের খুটিসহ ভাসমান কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করতে দেখা যায়। তাই মাঝে মাঝেই এ ধরনের লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হলেও কার্যত কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

2e2e

ভুক্তভোগী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ সুজন জানান, আমি মহাসড়কের পাশে ছোট একটি চায়ের দোকান করে সংসার চালাই। আজকে হঠাৎ করে আমার দোকানটি ভেঙ্গে দেয়ায় আমি পথে বসে পরেছি।

এসময় তিনি অভিযোগ করেন, সরকারী কর্মচারীরা অজ্ঞাত কারনে প্রভাবশালী ও ধনি ব্যক্তিদের বড় বড় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করে গরীবের পেটে লাথি মারছে।

শফিক নামে অপর এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, মহাসড়কের গেন্ডা এলাকায় সওজের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মান করে বিদ্যুৎ লাইন নিয়ে বরফ কল চালাচ্ছে নাসির নামে এক ব্যক্তি। তাদের স্থাপনা না ভেঙ্গে অভিযানের সময় নাসিরকে সওজের বুলড্রোজারের ভিতর বসে থেকে উচ্ছেদ অভিযানের নের্তৃত্ব দিতে দেখা যায়। এসময় তিনি প্রশ্ন তুলেন উচ্ছেদ অভিযান কি শুধু গরীব এবং ছোট স্থাপনা বিরুদ্ধে নাকি সবার জন্য আইন সমান।

এ নিয়ে কথা বলতে চাইলে উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া দুলাল ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয় নি।

এব্যাপারে মোবাইলফোনে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অভিযানের দায়িত্বে থাকা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সামসুজ্জোহা বলেন, আমি যোগাযোগ মন্ত্রীর সাথে ব্যস্ত আছি। আপানাদের যা খুশী তাই করেন তাতে আমার কিছু যায় আসেনা।






মন্তব্য চালু নেই