মেইন ম্যেনু

দলীয় প্রতীক শুধু মেয়র প্রার্থীর

পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র দলীয় প্রতীক পাবেন শুধু মেয়র পদের প্রার্থীরা। ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা কোনো দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীক পাবে না।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিটি মেয়র, পৌর মেয়র, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক দেয়ার সুপারিশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আইনি মতামত পাঠাচ্ছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

ওই মতামতে ওয়ার্ড কমিশনার ও ইউপি সদস্যদের দলীয় প্রতীক না দেয়ার সুপারিশ করা যাচ্ছে। আগামী সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে উখাপন করা হচ্ছে বলে মন্ত্রণালায় সূত্রে জানো গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে জাতীয় প্রতীক না দেয়া ভালো। শুধু দলীয় প্রার্থী হবেন সিটি মেয়র, পৌর মেয়র, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

আগে পৌরসভার নির্বাচন, তাই এটি করা হয়েছে। তা আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনিসুল হক এ বিষয়ে জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পৌরসভার নির্বাচন সামনের মাসে, তাই মেয়র প্রার্থীদের দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সিটি মেয়র, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন ও দলীয় প্রতীক দেয়া চিন্তভাবনা রয়েছে। ওয়ার্ড কমিশনার ও ইউপি সদস্যদের দলীয় প্রতীক দেয়া হবে না।

গত রবিবার দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০১৫’ উত্থাপন করেন। গত ২ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশটি জারি করেন।

মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে কোন রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হবে। এসব নির্বাচনে শুধু মেয়র প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক পাবে।

গত ১২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সংশোধন আইন একযোগে অনুমোদন করা হয়। আইনগুলো হচ্ছে: স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধন আইন, ২০১৫; উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১৫; জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১৫; স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন আইন, ২০১৫ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন, ২০১৫।

এসব আইনের আওতায় পর্যায়ক্রমে ৩২৩টি পৌরসভা, ৪ হাজার ৫৫৩টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৮৮টি উপজেলা, ১১টি সিটি করপোরেশন এবং ৬৪টি জেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকারের এই পাঁচটি স্তরেই দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন করতে আইনের সংশোধন অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। সংশোধনী অনুযায়ী, পাঁচ বছরের নির্দিষ্ট মেয়াদ পূরণের পর কোনো কারণে নির্বাচন না হলে প্রশাসকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।

নির্বাচনে মেয়র, চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন ও দলীয় প্রতীক থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪০টি দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে। স্থানীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ রাখা হলেও তাদের জন্য বিধি ঠিক করবে নির্বাচন কমিশন।ঢাকাটাইমস






মন্তব্য চালু নেই