মেইন ম্যেনু

দাপুটে জয়ে সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ

১২০ বলের খেলায় ৪৫ বল রানশূন্য থাকার পরও দলীয় রান ১৬৭! বলাবাহুল্য স্কোরকার্ড দেখে হয়ত অনেকেই বলবেন ব্যাটসম্যানরা মনে হয় চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি সাজিয়ে বসেছিলেন।

বাস্তবে সেটাই হয়েছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৬৭ রান করে বাংলাদেশ, যাতে বাউন্ডারি থেকে আসে ৯২ রান। এ ছাড়া ১ রান এসেছে ৪৩টি, ২ রান ১৩টি এবং ১১টি চার ও ৮টি ছক্কা এসেছে। অতিরিক্ত খাত থেকে বাংলাদেশের পুঁজিতে যোগ হয় ৬ রান।

যে ৪৫ বলে ব্যাটসম্যানরা রান নিতে পারেনি তার অর্ধেক নিতে পারলে অন্তত ১৯০ রানের পুঁজি পেতে পারত বাংলাদেশ। দিন শেষে ৪২ রানের জয়ের ব্যবধান আরও বড় হয়ে যেত। ১৬৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে ১২৫ রানের বেশি করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

ফলাফল ওয়ালটন বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ। এখন শুধু সিরিজ জয়ের অপেক্ষা।

খুলনার শেখ আবু নাসের টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ও সৌম্যর ৪৫ রানের জুটিতে দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। তামিম ২৩ রানে ফিরে গেলেও সৌম্য তার ব্যাট চালিয়ে যান। ৩৩ বলে ৪৩ রান করে সৌম্য ফিরেন তামিমের পরই। ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৩ রান করেন বাহাতি এ ওপেনার; যা তার ক্যারিয়ারের সেরা টি-টোয়েন্টি ইনিংস।

সৌম্যর পর দলের ইনিংস একাই টেনে নেন সাব্বির রহমান। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৩০ বলে ৪৩ রান করেন সাব্বির। তার ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ৩টি ছয়ের মার। মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান দলের স্কোরবোর্ডে যোগ করেন যথাক্রমে ২৪ ও ২৭ রান। মুশফিক ইনিংসটি বড় করতে পারতেন। কিন্তু ১৬তম ওভারে পঞ্চম বলে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগায় মাঠ ছেড়ে যান টেস্ট দলপতি।

বাংলাদেশের মত জিম্বাবুয়ের শুরুটাও ছিল দূর্দান্ত। ৫০ রান যোগ করেন সিবান্দা ও এ ম্যাচে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা মাসাকাদজা। তবে জুটিটা মাশরফি অনেক আগেই ভাঙ্গতে পারতেন। পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে আসা মাশরাফি প্রথম বলে মাসাকাদজাকে ফিরিয়ে দিতেন। কিন্তু চোট পাওয়া মুশফিকুর রহিমের পরিবর্তে ফিল্ডিং করা ইমরুল ক্যাচটি ছেড়ে দেন। ওভারের চতুর্থ বলে মাসাকাদজার দ্বিতীয় ক্যাচটি ছাড়েন শুভাগত হোম। অবশ্য দ্বিতীয় ক্যাচটি একটু জটিলই ছিল!

জিম্বাবুয়ের দলীয় ৫০ রানে সিবান্দাকে ফিরিয়ে মাশরাফি যে ব্রেক থ্রু এনে দেন তার ইতি টানেন সাব্বির রহমান। ক্রেমারকে আউট করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের শেষটা গুটিয়ে দেন সাব্বির। লেগ স্পিনারের বোলিং ছিল হয়েছে এরকম ২.১-০-১১-৩। ব্যাট হাতে ৪৩ ও বল হাতে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও নির্বাচিত হন সাব্বির।

সাব্বির ও মাশরাফির পাশাপাশি বল হাতে উইকেটের দেখা পেয়েছেন শুভাগত হোম, আল-আমিন হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমান।

ইনিংসের শুরুতে ৪৩ রান করায় বাংলাদেশের মূল্যবান ক্রিকেটার নির্বাচিত হন সৌম্য সরকার।






মন্তব্য চালু নেই