মেইন ম্যেনু

ফলোআপ : পর্নো নায়িকার মতো চেহেরা-ই অপরাধ

দিনাজপুরে ব্যাপক তোলপাড় : দু’কম্পিউটার ব্যবসায়ী’র জেল

“দিনাজপুরে ফতোয়াঃ রেহেনার অপরাধ পর্নো নায়িকার মতো চেহেরা” জাতীয় দৈনিকসহ বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। প্রকাশিত এ প্রতিবেদনটি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক তোলপাড়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদপত্র কর্মী ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও নির্যাতিক এক ঘরে করা পরিবারটি’র সাথে কথা বলেছেন।

স্থানীয় ৭ নং আউলিয়াপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান হাসিবুল হাসানের সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসন আসামীদের ধরতে সাঁড়াশী অভিযান শুরু করেছেন। আসামীরা এখন পলাতক।

Dinajpur-Fotoya-Photo-02অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ মিজানুর রহানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পর্ণোগ্রাফি উদ্ধারে বেশকিছু কম্পিউটারের দোকানে অভিযান চালিয়েছেন। পর্ণোগ্রাফি আইনে আতাব বাজারস্থ কম্পিউটার দোকানদার সাহেব বাবু ও মাহমুদ আলী নামে দু’জনকে ২ মাস করে কারাদন্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। সাহেব বাবু আউলিয়াপুকুর ইফপি’র বড়বাউল গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে এবং একই গ্রামের খোরশেদ আলী’র ছেলে মাহমুদ আলী বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ভারতীয় পর্ণ (ব্লু ফিল্ম) ছরি’র নায়িকার মতো চেহারার মিল থাকায় চিরিরবন্দর ৭নং আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নের গালতৈড় কাচলডাঙ্গা গ্রামে রেহেনার পরিবার’কে ৬ মাস যাবত একঘরে রেখেছিলো ফতোয়াবাজরা। দেখা, স্বাক্ষাত, আদান-প্রদান এমনকি মসজিদে নামাজ পড়া পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো ওই পরিবারের লোকজনকে। শুধু তাই নয়, প্রতিবাদ করায় ওই মেয়ের পিতা ও স্বামীকে মারধর করে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
এই ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হাসিবুল হাসানের সহায়তায় ওই মেয়ের পিতা এনামুল হক বাদি হয়ে ৯ জনকে আসামী থানায় মামলা করে। পুলিশ সোমবার রাতে আতাব আলী নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই