মেইন ম্যেনু

দীর্ঘদিন পর নিজ কার্যালয়ে খালেদা

চিকিৎসার জন্য দীর্ঘসময় লন্ডনে কাটিয়ে সম্প্রতি দেশে ফেরা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৭১ দিন পর তার নিজ কার্যালয়ে অফিস করেছেন।
মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে তিনি কার্যালয়ে আসলে কেন্দ্রীয় নেতারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এ সময় বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ড. ওসমান ফারুক, মেজর জেনারেল (অব.) রহুল আলম চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ নাসির, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, এম এ কাইয়ুম, মোহাম্মদ শাহজাহান, আসাদুজ্জামান রিপন, ফজলুল হক মিলন, এমরান সালেহ প্রিন্স, মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল, এবিএম মোশাররফ হোসেন, শিরিন সুলতানা, শাম্মী আক্তার প্রমুখ।

এদিকে বিএনপি নেত্রীর কার্যালয়ে আসার খবরে এর আগেই গুলশান কার্যালয়ে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হন। এ সময় খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নানা ধরনের স্লোগান দেন তারা।

চোখ ও পায়ের চিকিৎসার জন্য দুই মাসেরও বেশি সময় লন্ডনে অবস্থান শেষে শনিবার সন্ধ্যায় দেশে ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এরপর থেকে গুলশানে নিজের বাসা ‘ফিরোজা’য় এক প্রকার বিশ্রামেই ছিলেন তিনি। এই সময়ে কোনো নেতাই তার সাক্ষাৎ পাননি।

বিএনপি নেত্রীর রাজনৈতিক জীবনে এতো দীর্ঘ সময়ে কার্যালয়ে অনুপস্থিতির ঘটনা এই প্রথম। বিএনপি নেত্রীর কার্যালয়ে আসা উপলক্ষে আগে থেকেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করা হয়। কার্যালয়ের বিভিন্ন দেওয়ালে দেওয়া হয় নতুন রং।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লন্ডন যান বিএনপি চেয়ারপারসন। সেখানে বড় ছেলে তারেক রহমান ও ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পরিবারের সঙ্গে ঈদ করেন তিনি। প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে তার চোখ ও পায়ের চিকিৎসা চলে।

২০০৬ সালে ক্ষমতা হারানোর পর যুক্তরাজ্যে এটি ছিলো খালেদার দ্বিতীয় সফর। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ঘুরে দেশে ফেরার পথে বড় ছেলে তারেককে দেখতে লন্ডনে গিয়েছিলেন তিনি। বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় (২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলা) হুলিয়া নিয়ে গত সাত বছর ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে লন্ডনে রয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই