মেইন ম্যেনু

দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করে দাম্পত্য সম্পর্ক

আমাদের প্রাত্যহিক জীবন চিত্র দিন দিন জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। বেঁচে থাকার নিরন্তর সংগ্রাম ও ব্যস্ততার কারণে সম্পর্কে তৈরি হচ্ছে টানাপোড়েন। আর এসব জটিলতার কারণে দীর্ঘস্থায়ী কোনো সম্পর্কে জড়াতে মানুষের মনে ভীতি তৈরি হচ্ছে। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বিবাহিত দম্পতিরা দীর্ঘায়ু, সুখী এবং স্বাস্থ্যবান জীবনযাপন লাভ করে।

গবেষণায় বলা হয়, যারা ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ায় তারা চমৎকার অনুভব করে এবং একই সঙ্গে মানসিক যন্ত্রণায়ও থাকে। আর এ ধরণের উত্থান-পতন থেকেই মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণ হয়। একটি ভালো বিবাহিত সম্পর্ক ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করে, উপভোগ্য যৌন সম্পর্ক ও সুসাস্থ্য নিশ্চিত করে।

এক নতুন জরিপে দেখা যায়, বিয়ের পর দম্পতিদের যৌন সম্পর্ক বেশি আনন্দদায়ক এবং উপভোগ্য। গবেষণাটি পরিচালনা করা হয় একটি অভিভাবক সাইটে। গবেষণায় দেখা যায়, ৯৪ শতাংশ মা-বাবা যৌন জীবনে সুখী বলে জানায়। তাদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ জানায়, সন্তান হওয়ার পর যৌন সম্পর্কটা বেশি উপভোগ্য হয়।

বিবাহিত সম্পর্কের আরও কিছু উপকারী দিক রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিবাহিত সম্পর্কের ইতিবাচক বিষয়গুলো:

দীর্ঘজীবন লাভ: এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিয়ে স্বাস্থ্য এবং আয়ুর ওপর প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে। যা অনেকটা ধূমপান ছেড়ে দিলে হয়। গবেষণার প্রধান লেখক বলেছেন, ধূমপান একজন পুরুষের জীবন থেকে সাত বছর কেড়ে নেয় এবং বিয়ে তাকে অতিরিক্ত সাত বৎসর আয়ু দেয়। নারীদের ক্ষেত্রে সেটা তিন বছর। .

বিয়ে সুখী করবে: বিবাহিত দম্পতিরা অধিকাংশই সুখী। আর যারা অবিবাহিত, লিভ টুগেদার করে, আলাদা থাকে, তালাকপ্রাপ্ত তারা সুখী কম হয়। এক গবেষণায় বলা হয়, সুখী হওয়ার জন্য পারিবারিক সম্পর্ক মজবুত হওয়ার ওপর নির্ভর করে, এরপর বিবেচনায় আসে টাকা আয়ের ব্যাপার। টাকা আপনাকে সবসময় সুখী করবে না কিন্তু একটি ভালো বিবাহিত সম্পর্কের সেই ক্ষমতা আছে।

মানসিকভাবে ভালো রাখে: বিবাহিত সম্পর্ক শুধু আপনার শারীরিক স্বাস্থ্যেরই উন্নয়ন করে না, মানসিকভাবেও ভালো রাখে। মার্কিন এক গবেষণায় দেখা যায়, বিয়ের পর ধারাবাহিকভাবে এবং যথেষ্ট পরিমাণে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। আর তালাকপ্রাপ্ত বা আলাদা হলে একইভাবে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। বিবাহের সম্পর্কে জড়ালে নারী-পুরুষ উভয়েরই চাপ কমে।






মন্তব্য চালু নেই