মেইন ম্যেনু

দীর্ঘ ১০ ঘণ্টায়ও খোঁজ মেলেনি পাইলট তাহমিদের

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের কাছে বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জঙ্গি বিমান এফ-৭-এর নিখোঁজ পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদের খোঁজ মেলেনি দীর্ঘ ১০ ঘণ্টায়ও।

বিমানবাহিনী ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করলেও রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তাহমিদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বেলা ১১টায় যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় প্রায় ৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকা কর্ডন করে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের কর্মকর্তা লে. কমান্ডার নুরুল হুদা বলেন, ‘বেলা ১১টার পর থেকে আমরা বঙ্গোপসাগরে অনুসন্ধানে রয়েছি। নিখোঁজ পাইলটের সন্ধানে নৌবাহিনী স্লাইন স্ক্যানার সোনার নামক বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই স্ক্যানের মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশের চিত্রও স্পষ্ট দেখা যায়।

‘নৌবাহিনীর জাহাজ অতন্দ্র, মধুমতী ও সুরভি পুরো এলাকা কর্ডন করে রেখেছে। কর্ডন এলাকার ভেতরে অবস্থান নিয়ে তল্লশি অভিযান পরিচালনা করছে কোস্টগার্ডের জাহাজ সিজিএস তৌহিদ। এ ছাড়া কোস্টগার্ডের তিনটি মেটাল শার্ক এবং হাইস্পিড বোটও অভিযানে অংশ নিচ্ছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সাগর আংশিক উত্তাল থাকায় উদ্ধার অভিযানে বেগ পেতে হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, সোমবার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বিমানবাহিনীর জহুরুল হক ঘাঁটি থেকে অভ্যন্তরীণ নিয়মিত উড্ডয়নের পর বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ জঙ্গি বিমান এফ-৭-এর সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পরে দুপুর ১২টার দিকে বিমানটি বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পায় বিমানবাহিনী। এরপর উদ্ধার অভিযানে বিমানের ইঞ্জিন ও কিছু ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া গেলেও পাইলট তাহমিদের কোনো খোঁজ মেলেনি।






মন্তব্য চালু নেই