মেইন ম্যেনু

দুই মাস সময় পেল সিটিসেল

পাওনা টাকা পরিশোধের শর্তে কার্যক্রম চালাতে পারবে সিটিসেল। এ জন্য আরো দুই মাস সময় পেয়েছে এই মোবাইলফোন অপারেটর।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির করা এক আবেদনের নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন।

বকেয়া শোধ করতে না পারায় সিটিসেলের তরঙ্গ কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে গত ১৭ আগস্ট সিটিসেলকে নোটিস দিয়েছিল বিটিআরসি। এতে জবাব দেওয়ার জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল নোটিসে। সিটিসেলের এক আবেদনে ওই সময় পর্যন্ত সিটিসেলকে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে বলেছিল হাইকোর্ট।

বিটিআরসি হাইকোর্টের ওই নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ায় তার নিষ্পত্তি করে দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত এই নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন। সিটিসেলের কাছে পাওনা ৪৭৭ কোটি টাকা বিটিআরসিকে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আদালতে সিটিসেলের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ। বিটিআরসির পক্ষে ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও অ্যাডভোকেট খন্দকার রেজা-ই রাকিব এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি করেন।

পরে আইনজীবী রেজা-ই রাকিব বলেন, ‘১৭ আগস্টের আগ পর্যন্ত সিটিসেলের কাছে বিটিআরসির পাওনা রয়েছে ৪৭৭ কোটি টাকা। এর দুই তৃতীয়াংশ এখন থেকে এক মাসের মধ্যে, আর এক তৃতীয়াংশ পরবর্তী এক মাসে পরিশোধ করতে হবে।’

তাছাড়া ১৭ আগস্টের পর থেকে প্রতিদিন বিটিআরসি আরও ১৮ লাখ টাকা করে পাওনা হচ্ছে। প্রতিদিনের এই টাকা অবিলম্বে পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে আদালত বলেছে, টাকা না পেলে বিটিআরসি যে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে।

বকেয়া পরিশোধ সাপেক্ষে সিটিসেল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেও বলে জানান এই আইনজীবী।






মন্তব্য চালু নেই