মেইন ম্যেনু

দুই সদস্যের কমিটি দিয়ে চলছে আ’লীগের দলীয় কার্যক্রম!

জাকারিয়া শেখ, গোপালগঞ্জ থেকে : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় দুই সদস্যের কমিটি দিয়ে চলছে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম। সম্মেলোনের প্রায় এক বছর পেঁরিয়ে গেলেও পূণাঙ্গা কমিটি ঘোষণা করতে পারেনি উপজেলা আওয়ামী লীগ। একারণে তৃর্ণামূল থেকে উপজেলা পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। জানা গেছে, দীর্ঘ একযুগ পর গত বছরের ৮ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলোন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলোনকে ঘিরে তৃর্ণামূল ও উপজেলা পর্যায়ে নেতাকমীদের মাঝে দেখা দিয়েছিলো বাঁধ ভাঙ্গা আনন্দ। তবে এ আনন্দ বেশি দিন স্থায়ী হলো না। সম্মেলোন থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গা কমিটি ঘোষণা দেওয়া হলেও এখন পর্যান্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। একারণেই দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। বিগত কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট সুভাস চন্দ্র জয়ধর ও সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমাউন কবিরকে পুনরায় সম্মেলোন থেকে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ঘোষণা করা হয়। আর এ সম্মেলোনের সময়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি যে সব নেতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর আশায় গ্রুপিং-লবিং করেছিল তারা এখন হতাশায় ভুগছে। অপরদিকে এক সপ্তাহের কমিটি এক বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি না করায় দলীয় কর্মকান্ড অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিগত সম্মেলোনের একজন সভাপতি প্রার্থী বলেন, “উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির আশায় একযুগের বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাঠে ময়দানে কাজ করে আসছি। কিন্তু সে আশা আর পূরণ হল না। এখন শুনি আমাদের মত সিনিয়র নেতাদের উপদেষ্টা করে উপজেলা কমিটি গঠন করা হবে। যদি তাই করা হয় তাহলে আমি মনে করি এখানে কাজের প্রকৃত মূল্যায়ন করা হয় না”। রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সর্বানন্দ বৈদ্য বলেন,“ বিগত ৮ বছর ধরে রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আশা করেছিলাম উপজেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ হলে একটি যোগ্য পদ পাবো। সম্মেলোনের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যান্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না করায় আমরা হতাশ”।

উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আয়নাল হোসেন বলেন,“ প্রায় এক বছর আগে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলোন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলোনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়। একবছর ধরে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দিয়ে দলীয় কার্যক্রম অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে । আমি অতিদ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি”।

কুশলা ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম বাদল বলেন,“দীর্ঘদিন ধরে দলের পেছনে শ্রম দিয়েছি উপজেলা কমিটিতে একটি পদের আশায়। আশা করেছিলাম পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হলে দল মূল্যায়ন করবে। তবে উপজেলা কমিটিতে পদ পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর। সে ক্ষেত্রে আমি পদ না পেলেও খুশি”। দুই সদেস্য বিশিষ্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমাউন কবির বলেন,“ অতি শীঘ্রই উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। বিগত কমিটির সকল সদস্যদের নিয়ে দলীয় কর্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি”।






মন্তব্য চালু নেই