মেইন ম্যেনু

দু’পুত্র ও স্বামীর মৃত্যুর পরে সংকটাপন্ন অবস্থায় সুমাইয়া

উত্তরায় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হয়ে স্বামী ও দুই পুত্রের মৃত্যুর পরে হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় মৃত্যুর প্রহর গুণছেন সুমাইয়া আক্তার। ডাক্তাররা বলেছেন, তার বাঁচার কোন সম্ভবনা নেই, যে কোন সময় নিভে যাবে জীবন প্রদীপ। তাদের এমন করুণ পরিণতি স্বজন-শুভাকাঙ্ক্ষী কেউ মেনে নিতে পারছেন না। কেবল আশঙ্কামুক্ত তাদের এক সন্তান জারিফ বিন নেওয়াজ।

গুরুতর দগ্ধ সুমাইয়ার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল বলেন, আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, বাকিটা ওপরওয়ালার ইচ্ছা। তবে তার অবস্থা খুবই খারাপ।

সুমাইয়া সর্ম্পকে তার ভগ্নিপতি মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, তার চোখ মুখ ফুলে গেছে, কাছে গেলেই সুমাইয়া অর্ণগল কথা বলছে, আবার চোখ খুলে তাকাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে।

মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, যে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিলো সেখান থেকে আমাকে বলা হয়েছে, ‘তার বাঁচার কোনো সম্ভবনা নেই’, সে যেকোনো সময় মারা যেতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, সুমাইয়া বার বার বলছে, আমার স্বামী কোথায়? স্বামী কোথায়? স্বামী বেঁচে আছে বলে মিথ্যে আশা দিয়েও তাকে বোঝাতে পারছি না।

নিহত গৃহকর্তা শাহনেওয়াজ শাহীনের লাশ পরিবারের ইচ্ছায় ঝালকাঠিতে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

গত শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটবাড়িতে আগুনে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে গৃহকর্তা শাহীনসহ দুই পুত্রের মৃত্যু হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই