মেইন ম্যেনু

দেখুন কী অদ্ভুত উপায়ে টাকা ওড়ান ধনী মানুষগুলো!

একবার চোখ বন্ধ করে নিজেকে কোটিপতি ভাবুন তো আর বলুন তো সত্যি সত্যিই কোটিপতি হয়ে গেলে ঠিক কোন কাজটি করতেন আপনি? কি করে খরচ করতেন নিজের এত টাকা? এমনিতে হুটহাট আমার টাকা থাকলে এটা করতাম, ওটা করতাম- এমন হাজারটা বাক্য ঝেড়ে দেওয়া খুবই সোজা। কিন্তু বাস্তবে যদি সত্যিই অগণিত টাকা এসে পড়ে হাতে তাহলে সেটা খরচ করাটা বেশ দুষ্কর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে সঠিকভাবে সেটা খরচ করাটা। ভাবছেন, তাহলে যাদের সত্যিই অনেক টাকা, যারা সত্যিই কোটিপতি তারা কি করেন নিজেদের অগাধ সম্পদ দিয়ে? চলুন দেখে আসি এমনই কিছু অগাধ ধন-সম্পদের মালিকের খরচের অদ্ভূত আর অন্যরকম খাতগুলো।

১. দ্বীপের বুকে নিজের নাম

পুরোপুরি পাগলামি বলে মনে হলেও বাস্তবেই দ্বীপের বুকে নিজের নাম খোদাই করিয়েছেন পাকাপাকিভাবে বিশ্বের অন্যতম এক কোটিপতি। আর এই কোটিপতি আর কেউ নন, বরং মধ্যপ্রাচ্যের বেশ জনপ্রিয় ব্যাক্তি শেখ হামাদ বিন হামদান আল নাহিয়ান। কিছুদিন আগেই নিজের ব্যাক্তিগত দ্বীপের বুকে প্রচুর লোক আর টাকা খরচ করে তিনি খোদাই করান নিজের নাম হামিদ। আর এর পেছনে তার একমাত্র ইচ্ছে ছিল পৃথিবীর বাইরে, এমনকি চাঁদের বুক থেকেও তার নাম সবার চোখে পড়ানোর। বর্তমানে সত্যিই চাঁদের বুক থেকেও ফুতাইসি দ্বীপের মাটিতে একটি নাম বেশ স্পষ্টভাবেই চোখে পড়বে আপনার। আর নামটি হচ্ছে হামিদ ( লাক্সপ্রেসো )।

২. নিজের নামে শহর

প্রচুর সম্পদের মালিক ব্রিটেনের বিখ্যাত মানুষ স্কট আলেকজান্ডারের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন? প্রায়ই তাকে দেখতে পাওয়া যায় টিভির নানা বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য কার্যক্রমে। দেখতে পাওয়া যায় তার চমৎকার হাসিটি। তবে আপনি কি জানেন যে স্কটের এই হাসির প্রতিটি দাঁতের পেছনে তিনি খরচ করেন লাখ লাখ টাকা? আর শুধু কি দাঁত? নিজের কাপড়ের পেছনে প্রতি বছর স্কটের খরচ হয় প্রায় ৩০০,০০০ ডলার। নিজের শরীরের বার্ধক্য আটকাতেও যথেষ্ট খরচ করেন এই সুদর্শন মানুষ। সম্প্রতি অবশ্য নিজের নামে বুলগেরিয়াতে একটা পুরো শহর কিনে বেশ হৈ চৈ ফেলে দেন তিনি ( লাক্সপ্রেসো )।

৩. টাকা দিয়ে খেলনা বিমান তৈরি

না, না। টাকা খরচ করে নয়। বরং টাকা দিয়েই কাগজের খেলনা বিমান বানিয়ে সেগুলো জানলা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার রেকর্ডও আছে ধনী ব্যাক্তিদের টাকা নিয়ে করা ছেলেমানুষীগুলোর ভেতরে। রাশিয়ার জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিকনটাকটের কোটিপতি মালিক পাভেল ডুরভ নিজের সেইন্ট পিটার্সবার্গের অফিস থেকে জানলা দিয়ে বাইরের ভিড়ের ভেতরে উড়িয়ে দেন ৫ হাজার রুবলের টাকার খেলনা কাগজের বিমান ( হাফিংটনপোস্ট )।

৪. জ্ঞানী ব্যাক্তিদের শুক্রাণু সংগ্রহ

কোটিপতি হয়ে গেলে ঠিক কি কি করতে পারে মানুষ? তার কতটা তার নিজের জন্যে আর কতটাই বা অন্যের খাতিরে? আর যে যাই বলুক না কেন, রবার্ট ক্লার্ক গ্রাহামের চিন্তাটা ছিল কিন্তু পুরোটাই অন্যকেন্দ্রিক। বিশেষ করে পৃথিবীর ভবিষ্যত নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন তিনি। আর তাই ভবিষ্যতের ভালো সন্তানের জন্যে সব নোবেল বিজয়ী ও জ্ঞানী-গুনী ব্যক্তিদের শুক্রাণু সংগ্রহ করে সেগুলোর মাধ্যমে সন্তান উত্পাদনের একটি সংস্থা তৈরি করেন তিনি (টাইম টু ব্রেক )। তবে সমস্যাটা ছিল এই যে, নোবেল বিজয়ী মানুষেরা মূলত বয়স্ক হতেন। আর তাই তাদের শুক্রাণুও হত কমজোরি। তবে এত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নিজের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই কাজকে অব্যাহত রাখেন রবার্ট আর জন্ম দেন প্রায় ২১৮ জন শিশুর।






মন্তব্য চালু নেই