মেইন ম্যেনু

দেবহাটার সীমান্ত নদীর ভাতশালা ভেড়ীবাঁধে আবারো ভাঙ্গন

দেবহাটার সীমান্ত নদী ইছামতির ভয়াবহ ভাঙ্গনের মুখে ভাতশালাসহ তার আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ বিপদের ঝুঁকিতে রয়েছেন। বর্তমানে ইছামতি নদীর পানির চাপে ৭/৮ টি গ্রাম তলিয়ে ফসলী জমির ধান, মৎস্য ঘের সহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেয়া দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড গত ২/৩ মাস আগে উক্ত স্থানে জরুরী ভিত্তিতে সংস্খার কাজ করলেও উক্ত স্থানেরই আবারো ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

গ্রামবাসীরা জানান, গত ২/৩ মাস আগে বর্ষা মৌসুমে ভাতশালা এলাকাসহ দেবহাটা উপজেরার কয়েকটি স্থানে ভেড়ীবাধে ভাঙ্গন দেখা দেয়। সেসময় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙ্গন কবলিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। তখন ভাতশালা এলাকার উক্ত ভেড়ীবাধটি জরুরী ভিত্তিতে সংষ্কার কাজ করা হয়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই উক্ত স্থানটিতে আবারো ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে সোমবার দেখা যায়, উক্ত স্থানেই আনুমানিক ৫০ ফুটের মত জায়গার ভেড়ীবাধটি ভেঙ্গে যেতে বসেছে। মূল ভেড়ীবাধের অল্প কিছু জায়গা ভাঙ্গতে বাকি আছে। যদি ঐ জায়গাটুকু ভেঙ্গে যায় তাহলে ভাতশালা সহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম পানির তলে চলে যাবে। এ অবস্থা থাকলে যে কোনো সময় বাঁধটি ধসে পানিতে বিলীন হয়ে যাবার আশংকা করছেন স্থানাীয়রা।

কয়েক বছর আগে বাংলাদেশের দেবহাটার শীবনগরের পাশে রাজনগর মৌজা ইছামতির নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন জানান, জরুরী ভিত্তিতে বাধটি সংস্কঅর করার জন্য তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করছেন। পানি উন্য়ন বোডের্র এসও আহসান হাবিব জানিয়েছেন, ২/১ দিনের মধ্যে ভাতশালা এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ভেড়ীবাধটি সংষ্কার কাজ শুরু করা হবে।

স্থানীয় সমাজসেবক শরিফুল বিশ্বাস জানান, বাধটি যদি অবিলম্বে সংষ্কার করার জন্য তিনি সহ স্থানীয়রা মিলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছেন। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করে এলাকাবাসীকে রক্ষার জন্য তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই