মেইন ম্যেনু

দেবহাটায় গৃহবধুকে পাচার কালে দেবরসহ পাচার চক্রের সদস্য আটক

সাতক্ষীরার দেবহাটায় এক গৃহবধু ভারতে পাচার কালে দালালসহ পাচার চক্রের সদস্য দেবরকে আটক করেছে জনতা। মঙ্গলবার সকালে দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনা সূত্রে জানাযায় কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলার আলাউদ্দীনের পুত্র শওকতের সাথে পাচারের শিকার গৃহবধু ঊর্মি খাতুনের দেড় বছর পূর্বে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পরে স্বামী শওকত কাজের নাম করে ভারতে চলে যায়।

স্বামী যাওয়ার কিছুদিন পরে শ্বশুর বাড়িতে বিরোধ চলতে থাকে। নানা ভাবে তাকে নির্যাতন চালাতে থাকে এক পর্যয়ে সে পিতার বাড়িতে অশ্রায় নেয়। দীর্ঘ ৭ মাস ধরে আব্দুস সত্তার তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। গত ঈদুল আযহার দিন বিকালে উপজেলার কোঁড়া গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে ঊর্মি খাতুন। পাচারে শিকার গৃহবধু ঊর্মি খাতুনের পিতা ওমর আলি জানান,তার মেয়ে নিজ বাড়িতে অবস্থান কালে শ্বশুর বাড়ি থেকে গোপনে মাঝে মাঝে যোগাযোগের চেষ্টা করা হত। সে জন্য মেয়েকে নানার বাড়িতে রেখে যায় ওমর আলী।

তিনি আরো জানান,গত কয়দিন ধরে মোবাইল ফোনে তার মেয়েকে বিভিন্ন ভাবে ফুঁসলিয়ে, জামাইয়ের সাথে দেখা করানোর নামে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে মোটর সাইকেল যোগে পাচার চক্রের দালাল যশোর জেলা সদরের মৃত মুক্তিযোদ্ধা আনার হোসেন গাজীর পুত্র আলারাখা গাজী ও গৃহবধুর দেবর কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলার আলাউদ্দীনের পুত্র আব্দুস সত্তার উপজেলার কোঁড়া গ্রামে আসে।

তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী গৃহবধু ঊর্মিকে প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে মোটর সাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে কিছুদুর যাওয়ার পরে স্থানীয়রা ও নানার বাড়ির স্বজনরা ধাওয়া করে। তাদেরকে ঈদগাহ সরু রাস্তা নামক স্থানে এসে মোটর সাইকেল ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে আটক করা হয়। পাচারকারীদের ও তাদের ব্যবহারকৃত মোটর সাইকেল সহ নানার বাড়িতে নিয়ে প্রশাসনকে খবর দেয়া হয় বলে জনান ওমর আলী।

এবিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুল হকের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের বলেন,বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। জানতে পেরে উক্ত এলাকার বিট অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছি। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দেবহাটা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে ভিক্টিমের পরিবার।






মন্তব্য চালু নেই