মেইন ম্যেনু

দেবের নায়িকা হতে চাই: জয়া আহসান

ছোটপর্দায় জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের বিচরণ পুরোপুরি সফল। প্রত্যেক চরিত্রের সাথে নিজের অভিনয় তকমা দেখিয়ে ছোট পর্দার গন্ডি পেরিয়ে বেশ কটি সিনেমাতে অভিনয় করেও জয়া নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।

সাফল্যের প্রলেপ হিসেবে নিজের ঝুলিতে নিয়েছে দু’দুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এসব খবর কমবেশি সকলের জানা আছে।

নতুন খবর হচ্ছে, জয়া এখন ওপারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ‘রাজকাহিনি’ সিনেমার শুটিংয়ে ভারতে অবস্থান করছেন। এরই ফাঁকে তিনি মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতীয় ‘দৈনিক টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র।

সেখানে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন ‘ কোলকাতার ছবিতে আমি নিজেকে মানিয়ে নিতে বদ্ধ পরিকর। ‘আবর্ত’, ‘বাঙালি ভূতের গপ্পো’ এবং ‘রাজকাহিনি’ ছবিরর মাধ্যমে টালিগঞ্জে কোলকাতায় নিয়মিত কাজ করতে চাই।’

জয়া আরো বলেছেন, ‘এখানে নিজের প্রতিভা খুব সহজে প্রমাণ করা কঠিন ব্যাপার। সবেমাত্র ক্যারিয়ার শুরু করেছি এখানে। আমাকে এখন নিজেকে প্রমাণ করতে হবে এবং আগামীতে অনেক দূর যেতে হবে। নিজেকে প্রমাণ করার জন্য আমি একটা চ্যালেঞ্জিং চরিত্রের অপেক্ষায় আছি।

সেইসাথে প্রসেনজিৎ ও দেবের মতো তারকার নায়িকা হতে পারলে মন্দ হয় না, আমি চাই তাদের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে কাজ করতে। এছাড়াও ঋত্বিক চক্রবর্তী, পরমব্রত চ্যাটার্জি এবং শাশ্বত চ্যাটার্জির সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।’

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সম্পর্কে জয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের পরিচালকরা আমাকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে কাজ করান, আমার ওপর তাদের সেই আস্থাটা রয়েছে। কয়েক দিন পরেই বাংলাদেশে আমার একটি ছবি মুক্তি পাবে, সেখানে আমি সার্কাসে কাজ করা এক মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। আরেকটি ছবিতে নারী সুপারহিরোইন চরিত্রে অভিনয় করেছি।’

টালিগঞ্জে কি ধরনের সিনেমায় কাজ করতে চান এমন এক প্রশ্নের জবাবে জয়া জানান, ‘স্বাধীন ও বিকল্প ধারার সিনেমাই তার পছন্দ। তবে অর্থপূর্ণ বাণিজ্যিক সিনেমায় অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ নিতেও তিনি প্রস্তুত।’ এদিকে টালিগঞ্জের সঙ্গে বাংলাদেশের সিনেমার তুলনা করতে গিয়ে জয়া বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে টালিউড অনেক বেশি পেশাদার। হয়তো আপনাদের সিনেমার বড় বাজার এবং কাঠামোর কারণে এই পেশাদারিত্ব এখানে গড়ে উঠেছে।

আমাদের দেশে সিনেমা হলগুলো নিয়ে আমরা বড় ধরনের সমস্যায় রয়েছি। প্রজেকশন ব্যবস্থা এবং পোস্ট প্রোডাকশন সুবিধা সেখানে খুবই অপ্রতুল। আবার একই সঙ্গে সিনেমার প্রতি আমাদের প্রবল ভালোবাসা রয়েছে, এই ভালোবাসার কারণেই আমাদের সব ত্রুটি আড়াল হয়ে যায়। প্রতিবছর বাংলাদেশে বেশ ভালো কিছু সিনেমা নির্মিত হয়। সরকারও সিনেমার উন্নয়নে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিচালক এবং শিল্পীদের একটা নতুন প্রজন্ম কাজ করছে। যাদের গল্প বলার ধরন অসাধারণ এবং সিনেমার প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা রয়েছে।’

উল্লেখ্য, ‘গেরিলা’ এবং ‘চোরাবালি’ সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া জয়া এখন অভিনয় করছেন সাফিউদ্দিন সাফি পরিচালিত ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেমকাহিনী-২’ সিনেমাতে। হাতে রয়েছে সামুরাই মারুফের ‘মেসিডোনা’ ও মাহমুদ দিদার পরিচালিত সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘বিউটি সার্কাস’। সর্বশেষ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জয়া অভিনীত হাইভোল্টেজ ধামাকা অনিমেষ আইচ পরিচালিত ‘জিরো ডিগ্রী’ ছবিটি মুক্তি পায়।






মন্তব্য চালু নেই