মেইন ম্যেনু

দেশের ক্রিকেটে বছরের যত আলোচিত খবর

অন্যান্য সবকিছুর মতো আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের পঞ্জিকাবর্ষ থেকে অতিক্রান্ত হলো আরও একটি ক্রীড়াবর্ষ। কালের আবর্তে একটি বছর হারিয়ে গেলেও হারিয়ে যায়নি মাঠ ও মাঠের বাইরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা ও তার রেশ। ২০১৫ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্ষেত্রে যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে সেসব আলোচিত ঘটনা পাঠকদের জন্য গ্রন্থনা করছেনে ইয়াসিন হাসান।

বিশ্বকাপের দল ঘোষণা : ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বছর শুরু করে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গত ৪ জানুয়ারি দল ঘোষণা করে। ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করে বিসিবি। অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সহ-অধিনায়ক হিসেবে ছিলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ড। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের চূড়ান্ত দলে ছিলেন মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তামিম ইকবাল খান, এনামুল হক বিজয়, সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন, মাশরাফি বিন মুর্তজা, আল-আমিন হোসেন, রুবেল হোসেন, মুমিনুল হক, সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানী।

বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহর জোড়া সেঞ্চুরি : প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরির স্বাদ পান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৯ মার্চ অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৩ রানের পর ১৩ মার্চ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৮ রান করেন রিয়াদ। বাংলাদেশের স্বপ্নের যাত্রায় রিয়াদ হয়ে উঠেন কা-ারি। ক্যারিয়ারের সেরা সময় পাড় করা এ ক্রিকেটার বিশ্বকাপে টানা দুই সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলেন।

মুস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকারের অবির্ভাব : ২০১৫ সালের বাংলাদেশের প্রাপ্তি এক ঝাঁক তরুণ ক্রিকেটার। সাব্বির, সৌম্য, লিখন, মুস্তাফিজকে আবিস্কার করে বাংলাদেশ ক্রিকেট। সবচেয়ে বড় চমক মুস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকার। মুস্তাফিজ মাত্র নয় ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ২৬ উইকেট। আর সৌম্য সরকারের অতুলনীয়। ব্যাট হাতে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছেন তিনি। তরুণ এ দুই ক্রিকেটারের অবির্ভাবে রংধনুর সাত রঙে নতুন আবহ তৈরী হয়েছে। যাতে আরও উজ্জ্বল হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেট।

বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে মুস্তাফিজ : ওয়ানডেতে মাত্র নয় ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে আইসিসির বর্ষসেরা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেত এমন কীর্তি গড়েছেন সাতক্ষীরার এই তারকা। স্বাভাবিকভাবেই যেকোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এটা অনন্য এক অর্জন। বিপিএলে ঢাকা ও কুমিল্লার ম্যাচ চলাকালিন সময়ে আইসিসি এ খবর প্রকাশ করে। ম্যাচ শেষে মুস্তাফিজুর রহমান,‘ওয়ানডেতে আমি ১১ জনের ভেতরে। আর ওখানে বড় বড় খেলোয়াড়রা আছেন। ছোট হিসেবে আমাকে নিয়েছে এ জন্য বেশি ভালো লাগছে।’

ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ : গত ৪ জানুয়ারি ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ২০১৪-১৫ মৌসুমের শিরোপা জিতে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। আবাহনী লিমিটেডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বাদ পায় প্রাইম ব্যাংক। চলতি বছরে যা ছিল তাদের দ্বিতীয় শিরোপা। এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জয় করে প্রাইম ব্যাংক। ১৬ ম্যাচে ১৩ জয়ের বিপরীতে প্রাইম ব্যাংকের হার মাত্র ৩ ম্যাচে। পয়েন্ট ২৬। একক আধিপত্য দেখিয়েই শিরোপার স্বাদ পায় খালেদ মাহমুদ সুজনের শিষ্যরা। সুপার লিগে মাত্র ১টি ম্যাচে হেরেছে তারা। এর আগে লিগের প্রথম পর্বের ১১ ম্যাচে ৯টিতে জয় পায় প্রাইম শিবির।

বিগ ব্যাশে সাকিব আল হাসান : অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশে গত ৭ জানুয়ারি অভিষেক হয় সাকিব আল হাসানের। মেলবোর্ন রেনিগেইডসের জার্সিতে মাঠ মাতান তিনি। বিগ ব্যাশে প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতেই হেরে বসেছিল মেলবোর্ন। কিন্তু লিগের পঞ্চম ম্যাচে আর জয় পেতে অসুবিধা হয়নি রেনিগেইডসের। সাকিব আল হাসানের ছোঁয়াতে জয়ের ধারায় ফিরে তারা। ব্যাটে-বলে দারুণ পারফর্ম করে ৩৭ রানের বড় জয় এনে দেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। ব্যাট হাতে ১২ বলে দুটি চারের মারে ১৪ রানের ইনিংসটি সাজান তিনি। চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন সাকিব।

ইতিহাস গড়ার পথে বাংলাদেশ : গত ১২ জানুয়ারি মিরপুর শের-ই- বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম ও গ্রুপ মিটিং করে বিশ্বকাপের ক্যাম্প শুরু করে বাংলাদেশ দল। ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের মাটিতে চলে বিশ্বকাপের ক্যাম্প। ২৪ জানুয়ারি রাতে ইতিহাস গড়ার পথে যাত্রা শুরু করে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আগে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসেবেনে ২৮ জানুয়ারি থেকে ক্যাম্প শুরু করে বাংলাদেশ।

বিশ্বকাপ ২০১৫ : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের বছরের শুরুটা বিশ্বকাপ দিয়ে। আফগানিস্তানকে হারানোর মধ্য দিয়ে বিশ্বমঞ্চ মাতানো শুরু করে বাংলাদেশ। এরপর বাঘের গর্জনে কেঁপে উঠে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে সে সময়ের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তে শেষ আটে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে যায়। তবুও পুরো ক্রিকেট বিশ্ব মাথা উচুঁ করে বাংলাদেশের গান গেয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চ থেকে বিদায় জানায়।

ওয়ালটন ১৬তম জাতীয় ক্রিকেট লিগ : ওয়ালটন ১৬তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রংপুর বিভাগ। গত ১২ মার্চ বিকেএসপির-২ নম্বর মাঠে ঢাকা মেট্রোকে ১০২ রানে হারিয়ে প্রথম বারের মত এ কৃতিত্ব অর্জন করে তারা। রংপুর বিভাগের সংগ্রহ ১২১ পয়েন্ট। সাত ম্যাচের মধ্যে চার ম্যাচে জয় পেয়েছে রংপুর। কোন ম্যাচে হারেনি। তিন ম্যাচ ড্র করেছে তারা। ১২০ পয়েন্ট নিয়ে লিগের রানারআপ হয়েছে খুলনা বিভাগ। সাত ম্যাচের মধ্যে চার জয়ের বিপরীতে দুই ড্র ও একটিতে পরাজয় তাদের। চট্টগ্রামকে হারিয়ে শিরোপার কাছাকাছি চলে যায় খুলনা বিভাগ। রংপুর শেষ রাউন্ডে হারলে কিংবা ড্র করলে শিরোপা পুনরুদ্ধার করতে পারত খুলনা। কিন্তু খুলনার প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

ওয়ালটন ১৭তম জাতীয় ক্রিকেট লিগ : ওয়ালটন ১৭তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম স্তরের শেষ রাউন্ডে রংপুরের সঙ্গে ড্র করে শিরোপা নিশ্চিত করে খুলনা বিভাগ। গত ৩ নভেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চতুর্থবারের মত শিরোপা জয় করে খুলনা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঢাকা মেট্রোর চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আব্দুর রাজ্জাকের দল। প্রথম স্তরে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ঢাকা মেট্রো দ্বিতীয় ও ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে ঢাকা বিভাগ তৃতীয় স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করে। ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্তরে সবার নিচে থাকায় দ্বিতীয় স্তরে নেমে যায় জাতীয় লিগের গত আসরের চ্যাম্পিয়ন রংপুর। আর ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্তরের তালিকায় শীর্ষে থেকে প্রথম স্তরে উত্তীরণ ঘটেছে বরিশাল বিভাগের। জাতীয় লিগে সর্বোচ্চ পাঁচটি করে শিরোপা জিতে রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগ। খুলনা এর আগে ২০০২-০৩, ২০০৭-০৮ ও ২০১২-১৩ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ওয়ানডে : ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক ওয়ানডে আসর বিসিএলের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে গত ১২ এপ্রিল মিরপুরে মুখোমুখি হয় ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন ও বিসিবি নর্থ জোন। দিবারাত্রির এ ম্যাচে ইসলামী ব্যাংক ইষ্ট জোন তিন উইকেটে জয় পায়। আগে ব্যাটিং করে নর্থ জোন ২৯১ রান সংগ্রহ করে নয় উইকেটে। জবাবে বৃষ্টি আইনে ৪৫ ওভারে সাত উইকেটে ২৮১ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে ইসলামী ব্যাংক।

পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ : বিশ্বকাপে ভালো পারফরম্যান্স করায় প্রত্যাশা দ্বিগুণ হয়ে যায় টাইগারদের কাছ থেকে। বিশ্বকাপের পর পরই পাকিস্তানকে আতিথেয়তা দেয় বাংলাদেশ। নাটকীয় পরিবর্তনের শুরুটা সেখান থেকে। পাকিস্তানকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টেস্ট সিরিজ ১-০ ব্যবধানে হারলেও লড়াই করে একটি ম্যাচ ড্র করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে আবির্ভাব হয় ‘কাটার বয়’মুস্তাফিজুর রহমানের। পাকিস্তানের পর টাইগারদের শিকারের তালিকায় যোগ হয় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়ের আগে বাংলাদেশ একমাত্র টেস্টও ড্র করে। ভারতের পর প্রাপ্তির খাতায় যোগ হয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ জয়। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অনভিজ্ঞ বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারলেও ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয়। এরপর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও ড্র করে স্বাগতিক দল। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে ক্রিকেটের তিন পরাশক্তিকে নিজেদের সামনে দাঁড়াতেই দেয়নি বাংলাদেশ।

বছরের শেষে জিম্বাবুয়ে বধ : বছরের শেষ প্রান্তে জিম্বাবুয়েকে ওয়ানডে সিরিজে হারায় বাংলার দামাল ছেলেরা। ওয়ানডে সিরিজে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে বাংলাদেশ।

বিপিএল সিজন থ্রি : আগের দুই আসরের কালিমা মুছে দিতে বিপিএল ‘থ্রি’ এর আয়োজন জরুরী ছিল। যাতে সফল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। ছয় দলের বিপিএল গত ২০ নভেম্বর উদ্বোধন হয়। পর্দা নামে ১৫ ডিসেম্বর। চ্যাম্পিয়ন হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। অনাকাঙ্খিত ঘটনা বলতে দুই-একটাই। তৃতীয় ম্যাচে সিলেট ও চিটাগংয়ের ম্যাচটি বিদেশী ক্রিকেটারদের এনওসি নিয়ে ঝামেলার কারণে বিলম্বে শুরু হয়। এ ছাড়া আম্পায়ারের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে সাকিব আল হাসান এক ম্যাচের জন্যে নিষিদ্ধ হন। এই দুই ঘটনা বাদ দিলে পুরো বিপিএলকেই সফল বলা যায়।

২০১৫ সাল, বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা বছর। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা, দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান ও ভারত এবং ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ওয়ানডে সিরিজে হারানো সহজ কথা নয়। জটিল এই কাজটি খুব সহজে করেছে বাংলাদেশ। বছরের শেষ প্রান্তে এসে প্রাপ্তির খাতায় যোগ হয় জিম্বাবুয়ের নাম। সব মিলিয়ে রঙিন জার্সিতে দূর্বার বাংলাদেশ। রঙিন জার্সির প্রভাব পড়ে সাদা জার্সিতেও। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স করে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটে মাথা উচুঁ করে দাঁড়ানোর নতুন মেরুদন্ড পায় টিম বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ১৮ ওয়ানডেতে হেরেছে মাত্র পাঁচটিতে। জয় ১৩ ম্যাচে। পাঁচ টি-টোয়েন্টিতে পরাজয় তিনটিতে, জয় দুটিতে। এ ছাড়া সাফল্যমণ্ডিত এ বছরে ছয় টেস্টে বাংলাদেশ হেরেছে মাত্র এক টেস্ট, পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২০১৬ সালেও একই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে যাক সেই প্রত্যাশায় ক্রিকেটপ্রেমিরা।-রাইজিংবিডি






মন্তব্য চালু নেই