মেইন ম্যেনু

দেশের টানে ব্যাকুল শাবনূর

বিদেশে কিছুতেই মন টেকে না জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা শাবনূরের। কিছুদিন সেখানে থাকলেই দেশে ফেরার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে ওঠে।

আজ শনিবার সকালে মোবাইল ফোনে এমনটাই জানালেন শাবনূর।

বেশ কয়েক বছর ধরেই ঢাকা-টু-সিডনি আসা-যাওয়ার মধ্যে রয়েছেন শাবনূর। পাঁচ বছর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০১৩ সালে ডিসেম্বরে সিডনিতে জন্ম নিয়েছে শাবনূরের একমাত্র সন্তান আইজান। বহু বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন শাবনূরের একমাত্র ছোট ভাই ও বোন। তাঁদের কারণে শাবনূরকে অস্ট্রেলিয়া ছুটে যেতে হয়। একটানা অনেক দিন দেশের বাইরে থাকার পর নাকি কোনো অবস্থায়ই সেখানে মন টোকে না তাঁর। দেশে ফেরার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েন বলে জানান শাবনূর।

শাবনূর বলেন, ‘বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেই আমি আজ শাবনূর হয়েছি। এখানকার মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছে, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। ঢাকায় গুলশানে কিন্তু আমি একটি স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেছি। আমার আরও যা কিছু আছে, সবই ঢাকাকে কেন্দ্র করেই। তাই দেশের বাইরে কিছুদিন থাকার পরই মন আর টেকে না। বাইরের দেশে হয়তো নিরাপদ জীবনযাপন আছে, কিন্তু নিজের দেশের মতো শান্তি নেই। সিডনি থেকে ঢাকা বিমানবন্দরে নামার পরই মনটা আনন্দে ভরে যায়। যত সমস্যাই থাকুক না কেন, আমার দেশের মতো শান্তি পৃথিবীর আর কোথাও নাই। বাস্তবতার কারণে আমাকে হয়তো অস্ট্রেলিয়া যেতে হবে।’

অস্ট্রেলিয়ায় আবার যাওয়া প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, ‘মাঝে ভেবেছিলাম ঈদের আগে যাব, কিন্তু কদিন ধরে আবার ঈদটা দেশে করতেই মন চাচ্ছে। বুঝতেছি না। আমি তো মায়ের সঙ্গে সিডনি যাই। মা দেশে ফিরলে তাঁর শাড়ির আঁচল ধরে আবার দেশে চলে আসি। ঈদের আগে যদিও যেতে হয়, তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আবার দেশে ফিরে আসব। দেশের বাইরে আমি মনে হয় সবচেয়ে দিন থেকেছি আইজানের জন্মের সময়। এই বাইরে আর কোনো দিন থেকেছি বলে মনে হয় না।’

সম্প্রতি বেশ কিছু দিন ধরে আটকে থাকা ‘পাগল মানুষ’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে ক্যামেরায় সামনে দাঁড়ান শাবনূর। ছবিটির পরিচালক এম এম সরকারের হঠাৎ মৃত্যুর কারণে অনেক দিন ধরে ছবিটির কাজ স্থগিত ছিল। বর্তমানে ছবিটির কাজ শেষ করছেন তাঁর শিষ্য বদিউল আলম খোকন। এই ছবিতে শাবনূরের সহশিল্পী শায়ের খান।






মন্তব্য চালু নেই