মেইন ম্যেনু

দেশের প্রথম অ্যানিম্যাল ব্লাড ব্যাংক চালু

চট্টগ্রামে দেশের প্রথম অ্যানিম্যাল ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। চট্টগ্রামের খুলশি এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্লাড ব্যাংক চালু হয় বৃহস্পতিবার।

ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ জানান, মানুষ মানুষের জন্য যেমন রক্ত দেয়, তেমনি প্রাণি প্রাণির জন্য রক্ত দিবে। এই উদ্দেশ্য থেকেই দেশের প্রথম ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠা হয়েছে।

প্রাণির সংকটকালীন সময়ে রক্তদানে উৎসাহিত করার জন্য প্রাণির মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, যেকোনো দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে, গুরুতর অসুস্থতা বা অপারেশনের সময়ে শক প্রতিরোধে, জীবন বিপন্নকারী কৃমিজনিত ও অন্যান্য সংক্রামক রোগে যখন রক্তের স্বাভাবিক পরিমাণ হ্রাস পায়, অতিরিক্ত দুর্বলতা দূরীকরণে জরুরি ভিত্তিতে প্রাণিকে প্রয়োজন অনুযায়ী সিরাম অথবা লোহিত রক্তকণিকা অথবা শ্বেত রক্তকণিকা সরবরাহ করতে হয়।

বর্তমানে কুকুর ও বিড়াল পালনকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং একই সঙ্গে আহত ও অসুস্থ প্রাণির রক্তের চাহিদাও যথেষ্ট বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএ কাদেরী টিচিং ভেটেরিনারি হাসপাতালে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র প্রাণি ব্লাড ব্যাংক ‘সিভাসু অ্যানিম্যাল ব্লাড ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সিভাসু ভেটেরিনারি হাসপাতালের সার্জারি ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক বিবেক চন্দ্র সূত্রধর জানান, পোষা প্রাণির রক্তদান অন্য অসুস্থ প্রাণিকে একটি নতুন জীবন উপহার দিতে পারে। একটি কুকুর বা বিড়াল প্রতি ৩০ থেকে ৪৫ দিন পর পর নিরাপদভাবে রক্তদান করতে পারে। তবে প্রতি ৬০ থেকে ৯০ দিন পর পর রক্তদান করা উচিত। একটি কুকুর বছরে সর্বোচ্চ চারবার রক্তদান করতে পারে। এক ব্যাগ রক্ত সর্বোচ্চ চারটি প্রাণির জীবনরক্ষায় ভূমিকা পালন করতে পারে।

এছাড়াও যেকোনো প্রাণির জীবন সংকটে যেকোনো সময় রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। দেশে প্রথম চালু হওয়া এই ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাণির জন্য রক্তের যোগান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই