মেইন ম্যেনু

দেশের বাইরে যে ১৮টি আচরণ হিতে বিপরীত হতে পারে!

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের মানুষের বসবাস। শারীরিক ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য রয়েছে সবার মাঝে। বলা হয়ে থাকে, ‘এক দেশের বুলি তো অন্য দেশের গালি।’ বাংলাদেশে যা খুবই স্বাভাবিক, যুক্তরাষ্ট্রে সেটি হয়তো খুবই অসম্মানজনক। আবার ফ্রান্সে যেটি স্বাভাবিক, যুক্তরাজ্যে হয়তো বেয়াদবির পর্যায়ে পড়ে। তাই বিদেশ ভ্রমণে সাবধান তো আপনাকেই থাকতে হবে। নাহলে যেকোন সময় বাঁধতে পারে বিপত্তি।

আগে থেকেই জেনে নিন কোন দেশে গিয়ে কোন কাজ থেকে আপনার বিরত থাকতে হবে-

ফ্রান্স: কখনোই কারো কাছে টাকা চাইবেন না। কারণ টাকা-পয়সা নিয়ে তারা কোনো কথা বলতে চায় না। তারা মনে করে টাকা নিয়ে কথা বলা বেয়াদবী এবং বিরক্তিকর। অনেকে অবশ্য বলে থাকেন ট্যাক্স কতৃপক্ষকে এড়িয়ে চলতেই টাকা নিয়ে কথা বলতে চায় না ফরাসীরা।

ইউক্রেন: কখনো জোড়সংখ্যক ফুল দেয়া যাবে না। ফুল দিলে সবাই খুশি হয়। ইউক্রেনে কোনো নারীকে আপনার ভালো লাগতেই পারে। তাই বলে তাকে খুশি করার জন্য জোড়সংখ্যক ফুল নিয়ে যাবেন না। কারণ জোড়সংখ্যক ফুল মূলত শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউজিল্যান্ড: জোরে ভেপু বাজানো অন্যের জন্য অসম্মানজনক। তাই কাউকে রাগাতে না চাইলে নিউজিল্যান্ডে ভেপু না বাজানোই ভালো।

ভারত: জনসম্মুখে বিপরীত লিঙ্গের কাউকে স্পর্শ করা যাবেনা। ভারতের সামাজিক প্রেক্ষাপটে একজন নারী এবং পুরুষকে দূরত্ব বজায় রাখতে হয়। তাই পাবলিক স্থানে বিপরীত লিঙ্গের কাউকে স্পর্শ করলে বিপদের সম্মুখীন হবেন আপনি।

জাপান: কখনোই বখশিস দেবেন না। জাপানিরা কখনোই বখশিস নেয় না। আপনি বখশিস দিলে তারা চিন্তায় পড়ে যাবে। তারা ম্যানেজারকে জানাতে পারে এমনকি তারা অপমানিতবোধও করতে পারে।

মেক্সিকো: এই দেশটির কৌতুকগুলো খুব্ই বর্ণবাদী হয়। নতুন কেউ এই পরিবেশ গেলে তাদের বর্ণবাদী আচরণে খুবই অপমানিত হবেন।

নরওয়ে: নরওয়েতে রোববার গীর্জায় যেতে চায় না সেখানকার বেশিরভাগ মানুষ। ওইদিন গল্পগুজব করেই কাটাতে পছন্দ করে তারা। তাই ওইদিন তাদের গীর্জায় যেতে না বলাই মঙ্গলজনক।

তুরস্ক: ওকে বোঝানোর জন্য বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবেন না। কারণ দেশটিতে এর অর্থ হলো আপনি সমকামী।

যুক্তরাজ্য: কারো বেতন জিজ্ঞাসা করা অসম্মানজনক। দেশটিতে সবাই আয়ের ব্যাপারে কথা বলতে সংকোচবোধ করে। তাই তাদেরকে বেতনের কথা জিজ্ঞাসা না করাই ভালো।

আয়ারল্যান্ড: আইরিশ উচ্চারণ নকল করতে যাওয়াটা খুব বিপদজনক হতে পারে। কারণ তাদের মত করে কথা বললে তারা মনে করে আপনি নিশ্চয়ই তাদেরকে নিয়ে ঠাট্টা করছেন বা তাদের অপমান করার চেষ্টা করছেন।

জার্মানি: জন্মদিনের আগেরদিন শুভেচ্ছা জানানো যাবেনা। কারণ আগেরদিন শুভেচ্ছা জানালে তারা মনে করে আপনি নিশ্চয় কামনা করছেন যেন তিনি তার জন্মদিনের আগেই মারা যান।

কেনিয়া: নাম ধরে কাউবে ডাকাটা বেয়াদবী। কারো নাম না জানলে তাকে মি. জনাব কিংবা ম্যাডাম বলে ডাকা যেতে পারে। কিন্তু সরাসরি নাম ধরে ডাকাটা কেনিয়ানরা মোটেও ভালোভাবে নেয় না।

চিলি: হাত দিয়ে খাওয়া অভদ্রতা। চিলিতে প্রত্যেকটি খাবারই আপনাকে চামচ দিয়ে খেতে হবে। এমনকি পিজা খাওয়ার ক্ষেত্রেও আপনি হাত ব্যবহার করতে পারবেন না।

সিঙ্গাপুর: গণপরিবহনে খাওয়া যাবেনা। সবার সামনে কিছু খাওয়াটা অসম্মানজনক। এজন্য আপনাকে জরিমানাও করা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র: বখশিস দিতে কখনোই ভুলে যাবেন না যেন । বখশিস দেয়াটা যুক্তরাষ্ট্রে খুবই জরুরি। এতে করে আপনার সম্মান ঠিক থাকে।

ইতালি: রেস্টুরেন্টে গিয়ে ক্যাপাচিনো অর্ডার দেয়া যাবেনা। ইতালিয়ানরা বিশ্বাস করে ক্যাপাচিনো আপনার হজম শক্তির ভয়াবহ ক্ষতি করে। তাই তারা ক্যাপাচিনো সরবরাহ করতে চায় না।

হাঙ্গেরি: টোস্টের সময় গ্লাসের সঙ্গে গ্লাস লাগিয়ে শব্দ করা যাবেনা। ধারণা করা হয় ১৮৪৯ সালে আরাদের ১৩ জন শহীদের সঙ্গে গ্লাসের শব্দ করার কোনো যোগসূত্র রয়েছে। তাই হাঙ্গেরিতে টোস্টের সময় গ্লাসের সঙ্গে গ্লাস লাগিয়ে শব্দ করা একদমই নিষিদ্ধ।






মন্তব্য চালু নেই