মেইন ম্যেনু

দেহের জ্বালা, মনের জ্বালা মিটাইতে ৩ সন্তানের জননী যুবকের হাত ধরে উধাও

সদর উপজেলায় দেহের জ্বালা মনের জ্বালা মিটাইতে যুবকের হাত ধরে উধাও ৩ সন্তানের জননী নোয়াখালী সদর উপজেলা সল্যাঘটাইয়া আবদুল মতিনের বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে।

এদিকে সুধারাম মডেল থানায় অভিযোগ জানা যায় বিগত ১৯ মে, ২০০৬ ইং সালে নোয়াখালী সুধারাম থানাধীন ৬নং নোয়াখালী ইউনিয়ন সল্যাঘটাইয়া গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে আবদুর রহমান রাশেদের সহিত একই জেলার চরজব্বর থানাধীন ৭নং চরবাটা ইউনিয়ন হাজিপুর, পূর্ব চরবাটা পূর্ণ হাজী বাড়ীর মৃত আবদুল হকের কন্যা মনোয়ারা বেগম মিনারার ৩ লক্ষ টাকা দেনমোহর সাব্যস্থে মুসলিম শরাশরীয়তের বিধান মোতাবেক তাদের শুভ বিবাহ হয়।

দাম্পত্য জীবনের আচার আচরণের ফলে তাদের ঔরষে ১টি পুত্র সন্তান ও ২টি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। সূত্রে জানা যায় বিবাহ করার পর হইতে মনোয়ারা বেগম মিনারা সে তার স্বামী কিংবা তার শশুর, শাশ্বড়ীর অবাধ্য সে তার নিজ মোবাইল ফোনে পরকীয়া প্রেমের আসক্ত হয়।

বিবাহের পর হইতে মনোয়ারা মিনারা পর পর দুইবার দেহের জ্বালা মনের জ্বালা মিটাইতে স্বামীর ঘর হইতে পালিয়ে বাহিরে রাত্রি যাপন করে। যাহা মনোয়ারা মিনারার মাতা ও ভাইদেরকে অবহিত করা হয়। মনোয়ারা বেগম মিনারার স্বামী তাহার সংসার ও সন্তাদের কথা চিন্তা করিয়া মিনারা বেগমকে নিয়া ঘর-সংসার করিতে থাকে।

পরবর্তীতে জানতে পারে মিনারা বিবাহের পূর্বে পরকীয়া প্রেমের আবদ্ধ ছিল। যাহা বিবাহের সময় তাহার বাবা-মা ভাইয়েরা গোপন রাখিয়াছে।

অভিযোগে আরো জানা যায় মনোয়ারা মিনারা তার স্বামী, শশুর, শাশুড়ী কথা অমান্য করিয়া যখন তখন ঘর হইতে বাহির হইয়া কোথায় চলিয়া যায়। উক্ত বিষয়ে শাসন বারণ করতে গেলে মিনারা বেগম স্বামীর পরিবারের লোকজনকে তাহার পরকীয়া প্রেমিকার হুমকি ধমক দেয়। ১লা জুলাই সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কাউকে কিছু না বলিয়া শাশুড়ীর জমি বিক্রি বাবত ৫ লক্ষ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণলংকার নিয়া পরকীয়া প্রেমের টানে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। স্বামীর পক্ষের লোকজন সম্ভাব্য স্থানে খোঁজখুঁজি করে পাওয়া যায় নাই।

গতকাল মনোয়ারা বেগম মিনারার স্বামী আবদুর রহমান রাশেদ মনোয়ারা বেগম তালাক প্রদান করে। উক্ত তালাক নামায় জানা যায় আপনি এফিডেভিট গ্রহীতা মনোয়ারা বেগম এর সহিত দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করা কালীন ও সময়ে আমি এফিডিভিট দাতা দেখিতে পাই যে, আপনি এফিডেভিট গ্রহীতা পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত এবং আপনি বিভিন্ন সময়ে উশৃঙ্খল জীবন যাপন ও আপনার ইচ্ছামত চলাফেরা করেন।

আপনি এফিডেভিট গ্রহিতা আমার সহিত খারাপ আচরণ করেন। আপনি আমাকে স্বামী হিসেবে মানিতে রাজী নহে। আমার পিতা, মাতা, ভাই বোন ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে খারাপ আচার আচরণ করিয়া থাকেন। আপনি আমার পরিবারের সদস্যগণের সহিত আচার আচরণের বিষয়ে আপনার অভিভাবকগনকে অবহিত করিলে আপনি এফিডেভিট গ্রহিতার পরিবারের সদস্যগণের পক্ষ থেকে কোন সদূত্তর পাওয় যায় নাই।

১লা জুলাই সন্ধ্যা জনৈক ব্যক্তির সহিত আমার ঘর হইতে নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণলংকার নিয়া আমার ঘর হইতে চলিয়া যান। এর পূর্বেও আরও ২ বার আপনি আমার ঘর হইতে বাহির হইয়া যান। কিন্তু সন্তানদের কথা চিন্তা করিয়া আপনার সকল অপরাধ মানিয়া নিয়া ভবিষ্যত সুখের আশায় সংসার করিতে থাকি। তারপরও আপনি সংশোধন হন নাই। আমি আবদুর রহমান রাশেদ দাতা আপনি এফিডেভিট গ্রহিতা মনোয়ারা বেগমকে আমার সহিত সুন্দর ভাবে, সামাজিক আদাপ- কায়দা ও ইসলামী রীতিনীতি মেনে সংসার জীবন যাপন করার জন্য বহুবার অনুরোধ করেও ব্যর্থ হই।

এমতাবস্থায় আমি চিন্তা ভাবনা করিয়া দেখিলাম আপনি মনোয়ারা বেগম মিনারার এর সহিত আমার দাম্পত্য জীবন সুখের হবে। তাই ৩ জন স্বাক্ষীগনের উপস্থিতিতে আপনি মনোয়ারা বেগম মিনারা কে এক তালাক! দুই তালাক!! তিন তালাক!!! ও তালাকে বাইন উচ্চারণ পূর্বক আপনাকে তালাকে বায়েন প্রদান করিলাম এবং আপনি এফিডেভিট এর সহিত আমার সকল দাম্পত্য জীবন ছিন্ন করিলাম এবং আমার জজিয়ত হইতে আপনি এফিডেভিট গ্রহিতাকে সম্পূর্ণ মুক্ত করিয়া দিলাম।

অদ্য হইতে আপনি মনোয়ারা বেগম আমার স্ত্রী নহে। আমিও আপনার স্বামী নহে। ভবিষ্যতে আপনি এফিডেভিট গ্রহিতা আমাকে আপনার স্বামী হিসাবে দাবী করিতে পারিবেন না। করিলেও তাহা সর্বাদালতে অগ্রাহ্য ও অরক্ষনীয় বলিয়া বিবেচিত হইবে। অত্র তালাকের ফটোকপি ১৯৬১ইং সনের মুসলিম পারিবারিক আইনের ৭ ধারার বিধান মোতাবেক নোটিশ হিসাবে গন্য হইবে। অত্র তালাকের এফিডেভিট বাংলাদেশের প্রচলিত সর্ব আইন আদালতে বলবৎ থাকিবে।

এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে, অন্যের বিনা প্ররোচনায় অত্র তালক সংক্রান্ত এফিডেভিটের মর্ম অবগত হইয়া নিজ নাম সহি সম্পাদন করিয়া দিলাম। বর্তমানে মনোয়ারা বেগম পরিবারের লোকজন পক্ষ থেকে শশুর বাড়ীর লোকজনকে মিথ্যা মামলার হুমকি ধমক অবহ্যাত রয়েছে বলে জানা যায়।

ছবি প্রতীকী






মন্তব্য চালু নেই