মেইন ম্যেনু

দেহের সুস্থতায় ক্যালসিয়াম…

হাড় মজবুত করতে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। এছাড়াও আমাদের দেহে ক্যালসিয়ামের রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম গ্রহণের অভাবে বাধিয়ে বসি অনাকাঙ্ক্ষিত রোগব্যাধি। বেড়ে যায় রোগের জটিলতাও। তাই জেনে রাখা ভালো আমাদের সুস্থতায় ক্যালসিয়াম কী কী ভূমিকা পালন করে?

– হাঁড় মজবুত করে।

– পেশীর সংকোচন এবং হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াকলাপ ঠিক রাখে।

– রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

– হরমোন নিঃসরণ ও দেহের বিভিন্ন রকম কোষের বিভাজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

– দেহের ভিতরে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না এবং কোথাও কেটে বা ছিঁড়ে গেলে সেখানে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে।

– রাসায়নিক দূষণ থেকে দেহকে রক্ষণ করে। ভারি ধাতুর বিষক্রিয়া থেকে দেহকে বাঁচাতে ক্যালসিয়াম অন্যতম উপাদান। বিশেষত যারা কল-কারখানায় কর্মরত বা শিল্প এলাকায় বসবাস করেন তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী।

– চোখ, কিডনী, হৃদযন্ত্র বা ত্বকের সমস্যা থেকে মানুষকে রক্ষা করতে পারে।

আমাদের দেহের ভেতর ক্যালসিয়ামের মূল আবাস হল হাঁড় ও দাঁত। এছাড়া রক্তেও কিছু পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে। রক্তে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ নির্দিষ্ট মাত্রায় নিয়ন্ত্রিত হওয়া জরুরি। এখান থেকেই শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ক্যালসিয়াম বণ্টন হয়। রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে শরীরের চাহিদা মেটাতে হাঁড়ে সঞ্চিত ক্যালসিয়াম রক্তে আসতে থাকে যার ফলে হাঁড় ক্ষয় শুরু হয়। অস্থিতে ক্যালসিয়ামের সমতা বজায় রাখে হরমোন। হরমোনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার তারতম্যের জন্য ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয় বেশি।

ক্যালসিয়ামের পরিমাণ ঠিকভাবে বজায় রাখতে নিয়মিত প্রাণিজ আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। তবে বেশি প্রাণিজ আমিষ শরীরে প্রচুর ফসফো উৎপন্ন করে, যা ফলশ্রুতিতে প্রস্রাবের সঙ্গে ক্যালসিয়ামকে বের করে দেয়। বিশেষভাবে তৈরি ও সংরক্ষণ করা খাদ্যদ্রব্য ও একই কাজ করে। সোডা ও কোমল পানীয়তে চিনি ও ফসফেট থাকে, যা ক্যালসিয়াম আত্মীকরণে বাধার সৃষ্টি করে। এরা দেহে ক্যালসিয়ামের ব্যবহারেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিৎ।






মন্তব্য চালু নেই