মেইন ম্যেনু

দ্বিতীয় দিন নয়াপল্টনে জোহরের নামাজ আদায় করেন খালেদা

দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নামাজ আদায় করলেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর নয়টি স্পটে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কার্যালয়ে আসেন তিনি।

এর মধ্য দিয়ে ২২ ঘণ্টা পর ফের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন বিএনপি প্রধান। জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমদিনের খাবার বিতরণ কর্মসূচি চলাকালে গতকাল সোমবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে এক বছরপর দলীয় কার্যালয়ে আসেন তিনি। দ্বিতীয়তলায় নিজ কক্ষে মধ্যাহ্নভোজ ও আসরের নামাজ আদায় করেন খালেদা জিয়া। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান শেষে বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে কার্যালয় ত্যাগ করেন।

খালেদা জিয়া আজ দ্বিতীয় দিনের মতো কার্যালয়ে এসে দ্বিতীয় তলায় তার জন্য নির্ধারিত কক্ষে যান। সেখানেই দুপুরের খাবার খান। এ সময় তার কক্ষে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম প্রমুখ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মধ্যাহ্নভোজ শেষে খালেদা জিয়া তার কক্ষেই জোহরের নামাজ আদায় করেন। বিকেল পৌনে ৫টায় দলীয় কার্যালয় ত্যাগ করে বাসভবনের উদ্দেশে রওয়ানা হন খালেদা জিয়া। ৫টা ৫৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছান তিনি।

এর আগে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে ফিরোজা থেকে রওয়ানা হয়ে রাজধানীর খিলগাঁও জোড়পুকুর মাঠে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণের মধ্যদিয়ে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করেন খালেদা জিয়া। পর্যায়ক্রমে মাদারটেকের আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিলের অভিসার সিনেমা হল, গেণ্ডারিয়া কাঠের পুল, দয়াগঞ্জ মোড় (যাত্রাবাড়ী), শহীদ ফারুক সড়ক, ধোলাইপাড় বাসস্ট্যান্ড, আলম মার্কেট জুরাইন এবং শ্যামপুর ঈদগাহ মাঠে (লাল মসজিদ) খাবার বিতরণ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত পহেলা বৈশাখে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাসাসের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তবে তখন কার্যালয়ে তার কক্ষে যাননি। এর আগে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারির সমাবেশকে কেন্দ্র করে তার কক্ষটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু ৩ জানুয়ারি রাতে গুলশান কার্যালয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে আর নয়াপল্টন কার্যালয়ে যেতে পারেননি।

তবে ২০১৩ সালের মার্চে নয়াপল্টন থেকে বিএনপির দেড় শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছিল পুলিশ। ভাঙচুর করা হয়েছিল কার্যালয়। এরপর কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি।

এরপর সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২২ এপ্রিল ঢাকা (উত্তর-দক্ষিণ) সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে প্রচারণাকালে বাংলামোটরে তার গাড়িবহরে হামলা হলে নয়াপল্টন কার্যালয়ে আশ্রয় নেন খালেদা জিয়া।






মন্তব্য চালু নেই