মেইন ম্যেনু

ধনী ও সম্পদশালী স্বামী পেতে মেয়েদের বিচিত্র প্রতিযোগিতা

চীনের অবিবাহিত তরুণীরা এবার সম্পদশালী স্বামী পাওয়ার আশায় বিচিত্র এক প্রতিযোগিতায় নেমেছে। বিশ্বের যেকোনো ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য যেমন তরুণীরা নিজেদেরকে তৈরি করে ঠিক তেমনি নিজেদেরকে ‘ম্যারিজ টু এ মাল্টিমিলিয়নিয়ার’ প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি করতে চীনের তরুণীরা উঠেপড়ে লেগেছে। ৫০ জনের দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হতে ১০০০-এর বেশি তরুণী ইতিমধ্যেই এতে নাম লিখিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

প্রাথমিক নির্বাচনের ক্ষেত্রেই শারীরিক সৌন্দর্য থেকে শুরু করে শিক্ষা, পারিবারিক অবস্থা এবং রাশির বিষয়টিকে বেশ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। দ্বিতীয়পর্বে উন্নীত ৫০ জন সৌভাগ্যবান তরুণীই চীনের কমপক্ষে ১৬ মিলিয়ন ডলারের অধিকারী এমন ৩২ তরুণের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাবেন।

যোগ্য পাত্রের সন্ধানে এ প্রতিযোগিতাকে অনেকে বাড়াবাড়ি মনে করলেও চীনের ম্যাচমেকাররা আধুনিক চীনে বিয়ের ক্ষেত্রে বেশ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সেখানকার তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের চাহিদা বেশ বেড়ে গেছে। এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া এক প্রতিযোগী বেশ অকপটেই স্বীকার করেছেন যে, বাইসাইকেলে চড়ে হাসিখুশি থাকার চেয়ে বিএমডব্লিউতে চড়ে তিনি কাঁদতেও রাজি আছেন। কোনো কোনো প্রতিযোগী আবার একজন ধনবান পাত্রের সন্ধান পেতে ৩১০০০ ডলার পর্যন্ত দিতে তৈরি বলে জানিয়েছেন।

এ প্রতিযোগিতার আয়োজক চায়না এন্টারপ্রেনার ক্লাব অবিবাহিত তরুণদের সম্পদ যাচাইয়ের মাধ্যমে এতে অংশ নেয়ার জন্য ৩১০০০ ডলার ফি ধার্য করেছে। তবে তরুণীদের জন্য এতে অংশ নেয়ার যোগ্যতা বেশ চমকপ্রদ। এতে অংশ নেয়ার জন্য তাদের বয়স অবশ্যই ২০ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে হতে হবে। উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি বা তার চেয়ে বেশি, সুন্দরী, ভদ্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা জুনিয়র কলেজ সম্পন্ন করা।

প্রতিযোগিতার উদ্যোক্তা চেং ইয়ংশেং বলেছেন, নারীদের চরিত্রের বিষয়টিও তারা পরীক্ষা করেন। এছাড়া দুই মাস ধরে প্রতিযোগীদেরকে তারা গভীরভাবে পরীক্ষা করার পাশাপাশি তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেছেন, এতে অংশ নেয়া প্রতিযোগীদেরকে খুব গরিব বা লোভী হলে চলবে না। আবার খুব সম্পদশালী কোনো তরুণীও এতে অংশ নেয়ার যোগ্য নন।






মন্তব্য চালু নেই