মেইন ম্যেনু

ধরা পড়লো বাঘের মত ডোরাকাটা মানুষ-খেকো ‘হাঙ্গর’!

মানুষ-খেকো হিসাবে হোয়াইট শার্কের পরেই টাইগার শার্কের অবস্থান। নির্বিচার খাদক হিসাবে এর পরিচিতি রয়েছে। এর চোয়াল অত্যন্ত শক্তিশালি ফলে এটি সামদ্রিক কচ্ছপের খোলস ভেঙে ফেলতে পারে। বাঘ হাঙ্গর ঘন্টায় ২০ মাইল এবং একদিনে ৫০ মাইল পর্যন্ত সাঁতার কাটতে পারে। এরা দিনের বেলায় সমুদ্রের গভীরে আর রাতে অগভীর সমুদ্রে বিচরণ করে।

একজন জেলে অস্ট্রেলিয়ার উপকূল হতে একটি চার মিটার বিশাল টাইগার হাঙ্গর ধরেছেন বলে দাবি করেছেন। শুধুমাত্র ম্যাথু নামের ঐ জেলে একাই কোনোভাবে ম্যানেজ করে ঐ মাছ বোটে তুলেছে। এবং এর পরই হাঙ্গর এবং ম্যাথু দুজনই জপ্রিয়তার তুঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘এটি ছিলো ছয় ফুট লম্বা একটি হাঙ্গর, যা অপ্রত্যাশিতভাবে আমার বড়শিতে ধরা পরে’।

তিনি স্থানীয় গণমাধ্যম নর্দান স্টার ডটকমকে বলেন, ‘আমার বড়শিটি গেলার পর হাঙ্গরটিকে বোটে তোলার জন্য আমি তার রীতিমতো যুদ্ধ করেছি। অনেক সময় ধরে তাকে চারপাশে ঘুরিয়েছি যাতে তার জীবনীশক্তি কমে আসে। একপর্যায়ে সে ঘায়েল হয়ে এলে আমি তাকে বোটে তুলি’।

সমুদ্রে উপকূল থেকে ১৪ মাইল দূরে হাঙ্গরটি ধরেছেন বলে জানান ম্যাথু। বিশেষজ্ঞরা এটিকে প্রকৃতপক্ষে একটি টাইগার হাঙ্গর বলে নিশ্চিত করেছে। তবে তারা মনে করেন, সমুদ্রে কোনো হুমকির স্বীকার হয়ে হাঙ্গরটি উপকূলের এতো কাছে এসেছে।

এটিকে বিক্রির জন্য ইতিমধ্যে বাজারে নেওয়া হয়েছে। তবে জনসাধারণ ও বিশেষজ্ঞরা এমন দুর্লভ হাঙ্গর মারা উচিৎ হয়নি বলে মত দিয়েছেন।

বাঘ হাঙ্গর বা টাইগার শার্কের গায়ে উলম্ব ডোরাকাটা দাগ আছে। আর এ কারণেই এ হাঙ্গরের নাম হয়েছে টাইগার শার্ক বা বাঘ হাঙ্গর। তবে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে দাগগুলো মিলিয়ে যায়। এরা নিশাচর প্রাণী।

সূত্র: মেট্রো।






মন্তব্য চালু নেই