মেইন ম্যেনু

ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেও পুলিশের অস্বীকার !

শামীম রেজা, জেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা: ধর্ষন মামলার অভিযুক্ত এক ব্যাক্তিকে ৩দিন আটক রেখে আদালতে সোপর্দ করেনি এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ লিয়াকত হোসেনের বিরুদ্ধে। কিন্তু তিনি আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোন ব্যাক্তিকে আটক করে থানায় আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ জানান, কালিয়াবকরি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ধর্ষন মামলায় অভিযুক্ত দলু ( ৩৮) কে ২১ মার্চ’২০১৬ সন্ধ্যা ৭টার পর ওই এলাকার লোকজন আটক করে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশে সোপর্দ করে। তিনি জানান, আটক দলু কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংপৃক্ত নেই। তবে সে খারাপ প্রকৃকিতির ছেলে। সে ওই গ্রামের খাজেরের স্ত্রী জাহানারা (৪৫) কে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে জিআর ৩৩৩/২০১৫ মামলা রয়েছে। ২৪ ডিসেম্বর’২০১৫ আদালতে ক্ষতিগ্রস্থ মহিলা বাদিনী হয়ে কালিয়াবকরি গ্রামের জালালের ছেলে রবিউল (৩৪), ওই একই গ্রামের জেন্নাতের ছেলে সাদ্দাম (৩২) ও নূর ইসলামের ছেলে জাফর (৩৮)’র বিরুদ্ধে ধর্ষন মামলা করলে পুলিশ অভিযুক্ত রবিউল ও সাদ্দামকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।

দামুড়হুদা মডেল থানার কর্তব্যরত উপ-পুলিশ পরিদর্শক শামীমা বলেন, দলু নামের ধর্ষনের অভিযোগে আটক করার খবর তার জানা নেই। কালিয়াবকরি গ্রামের লোকজন দলুকে আটক করে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে বলে জানালে তিনি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ লিয়াকত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। এর বেশী তিনি কিছুই বলতে চাননি।






মন্তব্য চালু নেই