মেইন ম্যেনু

‘ধর্ষণের অভিযোগ এনে তরুণী নিজেই গ্রেফতার’

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষিত হওয়ার অভিযোগ এনেছিলেন লরা (২২) নামের এক ডাচ তরুণী। কিন্তু ওই অভিযোগের পর বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে ওই তরুণীকেই আটক করা হয়েছে। খবর বিবিসির।

লরার আইনজীবী জানান, মাদকের মাধ্যমে অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছিল লরাকে। জ্ঞান ফেরার পর অপরিচিত একটি ফ্ল্যাটে নিজেকে দেখতে পেয়ে বুঝতে পারেন তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

সোমবার লরাকে আদালতে তোলা হবে। যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে তাকেও গ্রেফতার করেছে কাতার পুলিশ। ওই ব্যক্তির দাবি তিনি লরাকে ধর্ষণ করেননি। লরার সম্মতিতেই তাদের মধ্যে ঘনিষ্ট সম্পর্ক হয়েছিল।

ডাচ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, দুই মাসের বেশি সময় ধরে আটক থাকলেও ওই তরুণীর বিরুদ্ধে এখনও অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি।

লরার আইনজীবী ব্রায়ান লোকোলো নেদারল্যান্ডের একটি রেডিওতে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দোহায় মদ্যপানের অনুমোদন রয়েছে এমন একটি হোটেলে নাচতে গিয়েছিলেন তার মক্কেল। কিন্তু এক চুমুক পান করে পাশের টেবিলের দিকে যাওয়ার সময় তিনি ভালো বোধ করছিলেন না এবং তাকে কোনো মাদক দেওয়া হয়েছে বলে বুঝতে পারেন তিনি।

তবে এরপর কী ঘটেছিল তা তার মনে নেই। পরে অপরিচিত একটি অ্যাপার্টমেন্টে জ্ঞান ফেরার পর ধর্ষিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন তিনি। ওই তরুণীর বিরুদ্ধে অ্যালকোহল সম্পর্কিত অভিযোগও আনা হতে পারে বলে দোহার গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

কাতারে নির্দিষ্ট কিছু হোটেলে মদ্যপান বৈধ এবং বিদেশিদের অ্যালকোহল কেনার অনুমতি দেওয়া হলেও প্রকাশ্যে মদ্যপান বা মাতাল হওয়া অপরাধ হিসেবে গণ্য।

এর আগে ২০১৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে একই রকমভাবে ধর্ষণের অভিযোগ আনার পর বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক, শপথভঙ্গ ও মদ্যপানের অভিযোগে নরওয়ের এক তরুণীকে ১৬ মাসের জেল দেওয়া হয়। পরে অবশ্য তাকে ক্ষমা করে নরওয়েতে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়।



(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই