মেইন ম্যেনু

ধর্ষণ করে মেরে ফেলার ৩দিন পরে ফিরে আসলো তাদের আসল মেয়ে…

মেয়েকে ফিরে পেয়ে তখন আনন্দে আত্মহারা দলুই পরিবার। একই সঙ্গে কাকে মেয়ে ভেবে তাঁরা দাহ করলেন, তা ভেবেই কিনারা করতে পারছেন না মাম্পির বাবা-মা।

শ্মশান ঘাটে দাহ করার পরে ফিরে এল মাম্পি। ২০ অগস্ট দিঘার ঝাউবন থেকে ধর্ষণ করে খুন হওয়া এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবতীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। পরের দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার উত্তর ধানখাল গ্রামের সুনীল দলুই এসে দেহটি সনাক্ত করেন। তাঁর দাবি ছিল, মৃত ওই তরুণী তাঁর মেয়ে মাম্পি।

গত ৮ অগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিল ওই তরুণী। ময়নাতদন্তের পরে পুলিশ ওই পরিবারের হাতে যুবতীর দেহ তুলে দেয়। যথারীতি নিয়ম মেনে মেয়ের মৃতদেহ দাহ করে পারলৌকিক কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সুনীল বাবু এবং তাঁর পরিবার।

এর পরেই গল্পে নতুন মোড় এল, যা সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। ২৩ অগস্ট দাসপুর থানার পুলিশ নিখোঁজ হওয়া আসল মাম্পিকে কলকাতায় খুঁজে পায়। রাতেই দাসপুরে তাঁর পরিবারের হাতে আসল মাম্পিকে তুলে দেওয়া হয়। যে মেয়েকে মৃত ভেবে দাহ করে শ্রাদ্ধের প্রস্তুতি চলছিল, তাঁকে ফিরে পেয়ে তখন আনন্দে আত্মহারা দলুই পরিবার।

একই সঙ্গে কাকে মেয়ে ভেবে তাঁরা দাহ করলেন, তা ভেবেই কিনারা করতে পারছেন না মাম্পির বাবা-মা। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় বিভ্রান্ত পুলিশও। দাহ হয়ে যাওয়া তরুণীর পরিচয় জানতে দিঘা থানার পুলিশ ফের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশের দাবি, সনাক্তকরণের যাবতীয় নিয়ম মেনেই দাসপুরের দলুই পরিবারের হাতে মৃত তরুণীর দেহ তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কীভাবে এতবড় ভুল হল, সেই প্রশ্ন থাকছেই। মৃত তরুণীর আসল পরিবারের কেউ এবার যোগাযোগ করে কি না, আপাতত সেই অপেক্ষাতেই রয়েছে পুলিশ।






মন্তব্য চালু নেই