মেইন ম্যেনু

ধাতব মুদ্রা নিয়ে ভোগান্তিতে ঘাটাইলবাসী

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার সাধারন মানুষ ভোগান্তিতে পরেছে ধাতব মুদ্রা নিয়ে। কোন দোকান থেকে কোন দ্রব্য ত্রুয়ের পরে মূল্য পরিশোধ করতে ধাতব মুদ্রা দিলে তা নিচ্ছেনা দোকানিরা। সরজমিনে গিয়ে ঘাটাইল উপজেলার বাজার সহ বিভিন্ন হাট -বাজার গ্রামের ভিতরের মুদি দোকান গুলোতে গুরে দেখা যায়, কোন ক্রেতা দোকান থেকে কোন দ্রব্য বা মোবাইলের রির্চাজের মূল্য পরিশোধ করতে ধাতব মুদ্রা দিলে তা গ্রহন করছে না তারা সে গুলো গ্রাহককে ফেরত দিচ্ছে দোকানদাররা। ঘাটাইল বাজারের এক দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে কেন তারা এই ধাতব মুদ্রা নিচ্ছে না – এ প্রশ্নে তিনি বলেন আমাদের কাছ থেকে বড়, বড় প্রাইকারি (কোম্পানি) রা এই ধাতব মুদ্রা নিচ্ছেনা, তাহলে আমরা নিয়ে কি করব। এই মুদ্রা (পয়সা) অচল কিনা তা জানতে চাইলে বলেন, অচল কিনা তা বলতে পারবনা। তবে এই মুদ্রা নিতে পারছি না। ঘাটাইল বাজার ঘুরে জানা যায়, এই ধাতব মুদ্রা বর্তমানে বাজারে বেড়ে গেছে। যার কারনে কেউ নিতে চাই না। তাই দোকানিরা বলে সেই কারনেই আমরাও নিতে চাই না। ঘাটাইল বাজারের পান ব্যবসায়ী,নিতাই, মালাই বিক্রেতা সুদির রায় সহ সবাই বলে পাইকারি দোকানীরা এই ধাতব মুদ্রা আমাদের কাছ থেকে এই ধাতব মুদ্রা নিতে চায়না। আর তাই আমরাও গ্রহন করছিনা এসব ধাতব মুদ্রা। আর এক ব্যবসায়ী আব্দুস বলেন, আমি এই ধাতব মুদ্রা নিয়ে গিয়েছিলাম ঘাটাইল বাজার রোডের দুই পাইকারি দোকানে সেখানে তারা পয়সা না রেখে ডেল দিয়ে দোকানের মেঝেতে তারা ফালিয়ে দেয়। ঘাটাইল দেউলাবড়ী বাসষ্টন্ডে দোকান মেসার্স সরকার ষ্টোরের মালিক মোঃ আবুল হোসেন বলেন, ব্যাংকে এই ধাতব মুদ্রা গ্রহন করেনা। কোন কোম্পানির লোক গ্রহন করেনা, তাই আমিও নেই না এই ধাতব মুদ্রা। ঘাটাইলবাসীর দাবি, এখনই যদি এই ধাতব মুদ্রার চালু রাখার জন্য সরকার ও প্রশাসন থেকে ব্যবস্হা নেয়া হক। তা নাহলে দিন, দিন সাধারন মানুষের ভোগান্তি আর বাড়বে বলে মনে করে ঘাটাইলবাসী।






মন্তব্য চালু নেই