মেইন ম্যেনু

ধামরাইয়ে ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে আহত ব্যক্তির মৃত্যু

টিপু সুলতান (রবিন), ধামরাই (ঢাকা): ধামরাইয়ের বাথুলির বালিথায় ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে আহত ফলুজ উদ্দিন ব্যাপারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এ নিয়ে ডাকাতির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে দুইজন।

রবিবার রাতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গৃহকর্তা ফলুজ উদ্দিন বেপারী। মৃত্যুর পর নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ আগষ্ট ভোর রাতে ধামরাইয়ের বাথুলীর বালিথা গ্রামের ফালুজ উদ্দিন বাপারীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ডাকাতরা ওই বাড়ির গৃহকর্তী রজ্জবান্নেছাকে জবাই করে ঘরের ভেতর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় । এসময় গৃহকর্তা ফালুজ উদ্দিন ব্যাপারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ডাকাতরা। মুমুর্ষূ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউতে) ভর্তি করলে প্রায় বারদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ছেট ছেলে রফিকুল ইসলাম নপু,জানায় আমার বাবা,মার কছে অনেক টাকা,পয়সা স্বর্ণালংকার ছিল।।টাকা পয়সার জন্যই হয়তোবা কেউ এরকম কাজ করেছে।তবে পুলিশ ৪-৫জনকে আটক করেছে দেখি পুলিশ তদন্তকরে কি বের করে,আমাদের এখন একটাই ভরসা পুলিশ।আমরা চাই আমার মা,বাবার খুনিদের কঠিন বিচার হোক।

ডাকাতদের হামলায় নিহতের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। এঘটনায় দোষীদের খুঁজে বের করে বিচারের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বালিথা এলাকার বাসিন্দা আফজাল মিয়া জানান.এমন একটি বাড়িতে এরকম ঘটনা খুবই ভিতিকর।এরআগে কখনও এই এলাকায় এরকম ঘটনা আর ঘটেনি।আফজাল মিয়া নিজে এবং এলাকার অন্যসব পাড়া,প্রতিবেশী সবাই আতঙ্কিত বলে জানন তিনি।

একই এলাকার বাসিন্দা আলী আহাম্মেদ জানায়,আমার চাই যারা ফালুজ উদ্দিন বাপারী ও তার স্ত্রীকে এইভাবে খুনকরেছে তাদের আমরা দৃষ্টান্তমূলক স্বাস্তীচাই।

এঘটনায় সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হলেও ক্যামেরার সামনে বিস্তারিত জানান নি ধামরাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা দ্বীপক সাহা।

নিহত এই দম্পত্তির দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই