মেইন ম্যেনু

ধারের টাকা শোধ করতে না-পারায়, স্ত্রীকে দাদার সঙ্গে শুতে বাধ্য করলেন এক ব্যক্তি

ধার করা টাকা শোধ করতে না-পারায়, স্ত্রীকে দাদার সঙ্গে শুতে বাধ্য করলেন এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, অভিযোগ, দাদার এক বন্ধুও ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে। বিছানার সঙ্গে বেঁধে রেখে, মুখে কাপড় গুঁজে, গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর ওপর পাশবিক অত্যাচার হয়েছে বলে থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই নিগৃহীতা। ভারতের হরিয়ানা প্রদেশের ভিওয়ানি জেলার এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।

বছর ২৯-এর ওই মহিলার বাপের বাড়ি দিল্লির দরিয়াপুরে। হরিয়ানার চরখি-দদরির সঞ্জয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। নিগৃহীতা পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন, বাপের বাড়িতে ছিলেন, জুন মাসেই হরিয়ানায় ফিরেছেন। স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি থাকায়, ছেলে-মেয়েকে বাপের বাড়িতেই রেখে এসেছেন। তার পরই শুরু হয় যৌন নিগ্রহ। অভিযোগ, স্বামীর প্রশ্রয়েই ভাশুর বিজয় ও তার এক বন্ধু হরকেশ মিলে নিয়মিত ধর্ষণ করতে থাকে।

ওই মহিলার সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, সঞ্জয় তাঁর দাদার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ে সেই টাকা শোধ দিতে পারেননি। সেই টাকার জন্য বিজয় চাপ দিলে, সঞ্জয় কায়দা করেই তাঁর স্ত্রীকে দাদার সঙ্গে শুতে বাধ্য করে। মহিলার কথা অনুযায়ী, রাতে তাঁকে একা বাড়িতে রেখে কাকার বাড়িতে চলে যেত সঞ্জয়। স্বামীর অনুপস্থিতিতে বিজয় ও তার বন্ধু হরকেশ রোজ রাতে তাঁকে ধর্ষণ করেছে। আপত্তি করলে, হাত-পা বিছানার সঙ্গে বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। যাতে চিৎকার না-করতে পারেন, মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া হয়। এমনকী ইঞ্জেকশান দিয়ে অচৈতন্য করেও তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

রোজ রাতের এই অত্যাচারে বাধ্য হয়ে ওই মহিলা ফোন করেন বাপের বাড়িতে। গোটা ঘটনার কথা জানান। এর পরই বাপের বাড়ির লোকজন হরিয়ানায় এসে মেয়েকে উদ্ধার করেন। অভিযোগ দায়ের হয় থানায়। মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত ওই নিগৃহীতাকে ভর্তি করা হয়েছে রাও তুলা রাম হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।

থানায় অভিযোগ দায়ের পরই অভিযুক্তরা পলাতক। তাই পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করেত পারেনি।






মন্তব্য চালু নেই