মেইন ম্যেনু

ধূমপান করেন? জেনে নিন কীভাবে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবেন!

ক্যানসার তৈরির অন্যতম কারণ ধূমপান। ধূমপানের কারণে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার, যেমন—পাকস্থলীর ক্যানসার, কিডনির ক্যানসার, ফুসফুসের ক্যানসার, জরায়ুর ক্যানসার, গলার ক্যানসার, ব্লাডার ক্যানসার ইত্যাদি হয়।

গবেষণায় বলা হয়, অধূমপায়ীদের থেকে ধূমপায়ীদের ১০ শতাংশ বেশি ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এটি নির্ভর করে ব্যক্তি কত দিন ধরে ধূমপান করছে, তার ওপরও।ক্যানসারের ঝুঁকি বহুলাংশে কমানোর জন্য ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তবে কিছু বিষয় অভ্যাসে আনতে পারলে ঝুঁকি হয়তো একটু কমানো যায়।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে ধূমপায়ীদের ক্যানসারের ঝুঁকি খানিকটা কমানোর কিছু উপায়ের কথা।

১. ধূমপান কম

অনেক ধূমপায়ীই ধূমপান করা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা হয়তো আর হয়ে ওঠে না। এ ক্ষেত্রে যদি ধূমপান একেবারেই ছাড়তে না পারেন, তাহলে সিগারেট খাওয়ার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন। আগে যদি ১০ থেকে ১৫টি সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস থেকে থাকে, এখন পরিমাণটা অন্তত তিন ভাগের এক ভাগে কমিয়ে আনা দরকার। এতেও কিন্তু কিছুটা লাভ হবে। আরেকটু চেষ্টা করলে হয়তো সিগারেট খাওয়াও ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে।

২. খাবারের অভ্যাস

চর্বি বা চিনিজাতীয় খাবার বেশি খাবেন না। বেশি করে ফলমূল, সবজি এবং কার্বজাতীয় খাবার খান। এগুলো শরীরকে ভালো রাখবে। ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে।

ধূমপান কমিয়ে দিলে দেখবেন ক্ষুধা বাড়তে থাকবে। এই সময় ভারী খাবার, চর্বি, চিনিজাতীয় খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এমন খাবার, যেমন—পেঁয়াজ, রসুন খান। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খান।

৩. ওষুধ সেবন

কিছু চুইংগাম, ওষুধ ইত্যাদি রয়েছে, যেগুলো ধূমপান কমাতে সাহায্য করবে। আপনার চিকিৎসককে বলে সেগুলো খেতে পারেন।

৪. ব্যায়াম করুন

দিনে একটি নির্দিষ্ট সময় রাখুন ব্যায়ামের জন্য। ব্যায়াম শরীরকে ভালো রাখবে। হাঁটুন, দৌড়ান বা সাঁতার কাটুন। এতেও ক্যানসার এবং বিভিন্ন ধরনের অসুখের ঝুঁকি কমবে।

৫. অনুপ্রেরণা

যে মানুষগুলো আপনাকে ধূমপান ছাড়ার অনুপ্রেরণা দেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলুন। আসলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান ছাড়ার বিকল্প তো কিছু হয় না। তাই যে মানুষগুলো অনুপ্রেরণা দেয়, তাঁদের সংস্পর্শে থাকুন। এতে কিছুটা হলেও ধূমপানের পরিমাণ কমবে। আর ধূমপান কমলে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমবে। চেষ্টা করলে ধূমপান একসময় পুরোপুরি ছেড়েও দেওয়া যাবে।

৬. চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ধূমপান কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। প্রয়োজনে মনোরোগ চিকিৎসকের কাছে গিয়ে আচরণগত থেরাপিও নিতে পারেন।






মন্তব্য চালু নেই