মেইন ম্যেনু

ধোনির চেয়ে কোহলির বেতন বেশি!

সদ্য শেষ হওয়া বছরটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বিরাট কোহলির। এ বছরই মহেন্দ্র সিং ধোনির একচেটিয়া দাপট শেষ করে দিয়ে শীর্ষে উঠে আসেন তিনি। হয়েছেন ভারতের টেস্ট অধিনায়ক। এরই পরিক্রমায় ধোনির চেয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) মোটা বেতন পেয়ে যাচ্ছেন কোহলি।

ভারতীয় বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া একটি তালিকায় এমনটাই দাবি করা হল শুক্রবার। কোহলিকে রাখতে যেখানে ১৫ কোটি রুপি খরচ করতে হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে সেখানে ধোনিকে ১২.৫ কোটি রুপি দেবে পুনে।

বোর্ডের শীর্ষপদে আসীন হওয়ার পর থেকেই স্বচ্ছতার ওপর জোর দিয়েছিলেন শশাঙ্ক মনোহর। জানিয়েছিলেন, টাকাপয়সা–সংক্রান্ত হিসেবনিকেশের যাবতীয় তথ্য তুলে দেওয়া হবে বোর্ডের ওয়েবসাইটে।

কোহলিই একা নন, বেশ কিছু ভারতীয় খেলোয়াড় আছেন, যাদের মূল বেতন নিলামের দরের থেকে বেশি। হরভজন সিংকে ৫.৫ কোটি রুপি দিয়ে কিনেও ৮ কোটি বেতন দিতে হয় মুম্বাইকে। আম্বাতি রায়ডুর দরও (নিলামে ৪ কোটি, মূল বেতন ৬ কোটি) বেশি। বিদেশিদের ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি বেতন পান ক্রিস গেইল (নিলামে দর ৭.৫ কোটি, মূল বেতন ৮.৪ কোটি)। তার পরেই রয়েছেন ফাফ ডু’প্লেসিস (নিলামে দর ৪ কোটি, মূল বেতন ৪.৭ কোটি)।

ধোনির মতোই তালিকায় এমন কিছু ক্রিকেটার রয়েছেন, যাদের নিলামের দাম এবং মূল বেতন একই। উদাহরণ, শিখর ধাওয়ান (উভয়েই ১২.৫ কোটি), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৭.৫ কোটি), ডোয়াইন ব্র্যাভো (৪ কোটি)।

তবে এক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের একটি নিয়মই দায়ী বলে মনে করছেন অনেকে। পুনে এবং রাজকোটের খেলোয়াড়দের নিলামের আগেই বি সি সি আই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি‍ল, তারা আগের ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে যে বেতন পাচ্ছিলেন, এখানেও সেই বেতনই পাবেন। সে কারণেই ধোনি, রায়না বা জাদেজার মূল বেতন বাড়েনি।

তবে এমন অনেক ক্রিকেটার নামও প্রকাশ্যে এসেছে, যাদের নিলামের দর বেশি হলেও, মূল বেতন তার থেকে কম। এক্ষেত্রে সব থেকে এগিয়ে পাঞ্জাবের ডেভিড মিলার (নিলামে দর ১২.৫ কোটি, মূল বেতন ৫ কোটি)। ভারতীয়দের মধ্যে সুরেশ রায়না (১২.৫ কোটি, ৯.৫ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (৯.৫ কোটি, ৫.৫ কোটি), গৌতম গম্ভীর (১২.৫ কোটি, ১০ কোটি) প্রভৃতি নামী ক্রিকেটারও আছেন এই তালিকায়।






মন্তব্য চালু নেই