মেইন ম্যেনু

ধোনির দৃঢ়তায় ভারতের লড়াকু সংগ্রহ

সমালোচনা শুনতে শুনতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির। আর কথায়ই আছে, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ ঘুরে দাঁড়ায়। ধোনিও সম্ভবত এই কথাটাকে ‘আপ্ত বাক্য’ হিসেবে নিজের জীবনের সঙ্গে এঁটে নিয়েছেন। না হয় এতটা কঠিন মুহূর্তে কিভাবে একা দলকে টেনে সামনে নিয়ে যাওয়া যায়!

ইন্দোরের হলকার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে একমাত্র আজিঙ্কা রাহানে ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের সামনে আর কেউ দাঁড়াতে পারছিলেন না। শঙ্কা দেখা দিয়েছিল, আজ না আবার কী লজ্জ্বা উপহার দেয় ভারত; কিন্তু ধোনি সেটা হতে দিলেন না। একপ্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়েছে ঠিক, অন্যপ্রান্ত আগলে ধরে রেখেছিলেন ধোনি। শেষ পর্যন্ত ৯২ রানে অপরাজিত থেকে প্রোটিয়াদের সামনে ২৪৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ এনে দিলেন ভারতকে।

৮৬ বলে ৭টি বাউন্ডারি আর ৪টি ছক্কা মেরে ৯২ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। আফসোস! আর কয়টা বল পেলে হয়তো ক্যারিয়ারের ১০ম সেঞ্চুরিটা করেও ফেলতে পারতেন। তবে সেঞ্চুরি না হলেও, এ নিয়ে ৬০তম বার হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন ভারতের ওয়ানডে অধিনায়ক।

গত ম্যাচে ১৫০ রান করা রোহিত শর্মা আজ আউট হয়ে যান মাত্র ৩ রান করে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই তিনি যখন আউট হন, তখন দলের রানও ৩। ধাওয়ান-রাহানে মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ২৩ রান করে ধাওয়ান আউট হয়ে গেলে কোহলি আর রাহানে জুটি গড়েন।

কিন্তু ১২ রান করে আউট হয়ে যান কোহলিও। দলের রান তখন ৮২। এরই মাঝে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেন আজিঙ্কা রাহানে। হাফ সেঞ্চুরি করার পরই আউট হয়ে যান রাহানে। ৬৩ বলে ৬ বাউন্ডারির সাহায্যে ৫১ রান করেন তিনি।

টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা একে একে আউট হয়ে গেলে লড়াই শুরু হয় ধোনির। একপাশ আগলে ধরে রেখেছেন। বাকি পাশ তো আর তার নিয়ন্ত্রণে নেই। থাকলে হয়তো সেটাও আগলে রাখতেন। কিন্তু, ধোনি শুধু দেখে গেলেন সতীর্থদের আসা-যাওয়া। তার সঙ্গে হরভজন সিংই যা একটি বড় জুটি গড়েছেন। হরভজন আউট হন ২২ রান করে।

শেষ পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ালো ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ডেল স্টেইন। ২টি করে উইকেট নেন মরনে মর্কেল আর ইমরান তাহির। ১ উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা।






মন্তব্য চালু নেই