মেইন ম্যেনু

ধোনির স্ত্রী সাক্ষী প্রতারক!

মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে বিয়ের পর পরই চাকরি ছেড়ে দেন সাক্ষী। এরপর বেশকিছু ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন তিনি। এমনই এক ব্যবসাকে ঘিরে সাক্ষী ধোনির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।

‘হৃতি এমএসডি আলমোড়ে প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থা ‘স্পোর্টসফিট ওয়ার্ল্ড’ নামে ফিটনেস সেন্টার এবং জিমের অন্যতম অংশীদার। এই হৃতি এমএসডি আলমোড়ে প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন সাক্ষী ধোনি।

বাকি ডিরেক্টররা হলেন অরুণ পাণ্ডে, শুভাবতী পাণ্ডে এবং প্রতিমা পাণ্ডে। ‘স্পোর্টসফিট ওয়ার্ল্ড’-এ সাক্ষীদের সংস্থা ছাড়াও ৩৯ অংশিদারীত্ব ছিল গুরুগ্রামের বিকাশ আরোরা নামে এক ব্যবসায়ীর। বিকাশের ছেলে ডেনিস আবার এই ‘স্পোর্টসফিট ওয়ার্ল্ড’-এর একজন কো-ডিরেক্টরও ছিলেন।

ডেনিসের অভিযোগ, সাক্ষী ধোনিদের মালিকানাধীন সংস্থা ‘হৃতি এমএসডি আলমোড়ে প্রাইভেট লিমিটেড’তার বাবা বিকাশের কাছ থেকে ৩৯ শতাংশ শেয়ার কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অংশিদারী হস্তান্তরের বিনিময়ে সাক্ষীরা নাকি ডেনিসের বাবা বিকাশকে ১১কোটি টাকা দিতে চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু, গত মার্চ পর্যন্ত সাক্ষীরা মাত্র ২.২৫ কোটি টাকাই বিকাশ অরোরা দিয়েছেন।

৩১ মার্চের মধ্যেই পুরো অর্থ দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ডেনিস আরোরার। তাই, প্রতারণার অভিযোগ সাক্ষী ধোনিসহ ‘হৃতি এমএসডি আলমোড়ে প্রাইভেট লিমিটেড’-এর অন্য তিন ডিরেক্টর অরুণ পাণ্ডে, শুভাবতী পাণ্ডে এবং প্রতিমা পাণ্ডে’র বিরুদ্ধে গুরুগ্রামের সুশান্ত লোক থানায় এফআইআর দায়ের করেন ডেনিস। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় এই অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

যদিও, ‘হৃতি এমএসডি আলমোড়ে প্রাইভেট লিমিটেড’-এর অন্যতম ডিরেক্টর অরুণ পাণ্ডের দাবি, সাক্ষী এক বছর আগেই ‘হৃতি এমএসডি আলমোড়ে প্রাইভেট লিমিটেড’-এর অংশিদারীত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। সুতরাং, সাক্ষীর বিরুদ্ধে কীভাবে ডেনিস প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সে সঙ্গে অরুণের আরও দাবি, শেয়ার হস্তান্তরের জন্য চুক্তির থেকেও বেশি অর্থ নিয়েছেন বিকাশ অরোরা। এমনকী, এই অর্থ ওই ব্যবসায়ী তার অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করেন বলেও দাবি করেছেন অরুণ।






মন্তব্য চালু নেই