মেইন ম্যেনু

নওগাঁর পোরশায় ২০হাজার ৫শ ৫০হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদ শুরু

নওগাঁর পোরশায় আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ঐ এলাকার কৃষকরা। এবার আমন মৌসুমে বুকভরা আশা নিয়ে দিন ভর মাঠে কাজ করছেন কৃষক-কৃষাণীরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আমন মৌসুমে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে সর্ব মোট ২০হাজার ৫শ ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রায় ২হাজার ৭শ ৪০বিঘা জমিতে এই ধান চাষাবাদ করা হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন জমিতে গিয়ে দেখা গেছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সকলেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষাবাদে। বাড়ির থেকে বের হলেই দেখা যায় চারদিকে মাঠ আর মাঠ, কৃষকরা ঝুঁকে পড়েছেন ধান রোপনের কাজে। চলতি বছর আষাঢ় ও শ্রাবন মাসে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পানির অভাব থেকে মুক্ত চাষীরা। অন্যান্য বছর আকাশের পানির সংকট থাকলেও এবছর তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় নেই তাদের। তাই তাড়াতাড়ি করে আবাদ সারতেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন সকলেই। দু‘এক সপ্তাহের মধ্যে এই উপজেলার আমন চাষাবাদ শেষ হবে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

তারা আরোও বলেন, গত বছর আমন মৌসুমের ধানের ন্যায্যদাম না পাওয়ায় অনেক চাষীরা হতাশ। জমিতে বাম্পার ফলন হলেও ধান বিক্রি করতে হয়েছে মন প্রতি মাত্র ৬শ থেকে সাড়ে ৬শর টাকার মধ্যে। পরবর্তিতে দাম বাড়বে বলে যারা ধান ষ্টক রেখেছিলেন, তারা এখনও ধান বিক্রি করতে পারেননি অনেকেই। ক্ষোভে পড়ে অনেক কৃষক ধান চাষ কমিয়ে আমচাষে জোর দিয়েছেন। তবে সকল কৃষকের প্রত্যাশা, আগামীতে আশানুরূপ ধানের দাম পাবেন তারা। তাই আবারো প্রতি বছরের ন্যায় চাষাবাদে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম জানান, আমান ধানের বাম্পার ফলনে তারা বিশেষ বিশেষ কিছু কর্মসূচী ও পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। তিনি আরোও জানান, আমন ধান লাগানো থেকে ঘরে তোলা পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বা বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না দেখা দিলে আমন ধানের বাম্পার ফলন উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষি বিভাগ পোরশায় নির্ধারণকৃত লক্ষমাত্রা শতভাগ অর্জিত হবে বলে আশা করছি।






মন্তব্য চালু নেই