মেইন ম্যেনু

জেএসসি পরীক্ষা শুরু

নওগাঁর রাণীনগর পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রের প্রবেশ মুখে ইট বালু খোয়ার স্তুপ

নওগাঁর রাণীনগরে চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সাটির্ফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) ও এসএসসি ভোকেশনাল বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষা ২০১৫ইং উপজেলার ৫টি কেন্দ্রে প্রায় ৩২শ’ ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিবে। কিন্তু জেএসসি পরীক্ষার প্রধান কেন্দ্র রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশ মুখে ইট বালু খোয়া আর ময়লা স্তুপের কারণে পরীক্ষা দিতে আশা কমোলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে চরম ভোগান্তিতে পড়বে বলে অনেক অভিভাবক মনে করছে।
অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনার দূর্বল কাঠামোর জন্য এই দূর অবস্থা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার থেকে জেএসসি, জেডিসি ও নবম শ্রেণী (ভোকঃ) বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষাকে সামনে রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি গঠন, সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ সহ পরিদর্শন টিম গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রগুলোর চার পাশে ৪শ’ গজের মধ্যে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অভিভাবক ও সর্বস্তরের জনসাধারণকে কেন্দ্রের নিরাপদ দূরত্ত বজায় রাখা এবং আইন-শৃংখলা রক্ষার জন্য নানা ধরণের সচেতনতা মূলক প্রচারণা মাইক দিয়ে চালানো হচ্ছে।

যে ৫টি কেন্দ্রে জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো: রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে (২৬১ রাণীনগর-এ) পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১১শ’ ৩৪জন ও নবম শ্রেণী (ভোকেশনাল) বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১শ’ ২৩জন, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে (২৬২ রাণীনগর-বি) পরীক্ষার্থী সংখ্যা এক হাজার ৫০জন, আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে (২৬৩ রাণীনগর-সি) পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৬শ’১৫জন। এছাড়াও জেডিসি আল-আমীন দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে (২৯৫) ২শ’ ৪০জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করবে।
কিন্তু জেএসসি পরীক্ষার প্রধান কেন্দ্র রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশ মুখে ইট বালু খোয়া আর ময়লা স্তুপের কারণে পরীক্ষা দিতে আসা কমোলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে চরম ভোগান্তিতে পড়বে বলে অনেক অভিভাবক মনে করছে।
বেশ কিছু দিন ধরে পাইলট স্কুলের প্রবেশ পথে এই ধরণের নির্মাণ সামগ্রীর স্তুপ পড়ে থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া-আসার অসুবিধা কর্তৃপক্ষের চোখে পড়ে না। সামান্য বৃষ্টি হলে গেটের মূল ফটকে পানি-কাদায় একাকার হয়ে যায়। স্কুল ড্রেস পরিস্কার রাখার সার্থে ছাত্ররাই নিজ উদ্যোগে কাদা-পানি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ইট বিছিয়ে চলা-চল করে। জেএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে স্কুলের প্রবেশ পথে থেকে ইট, বালু, খোয়া সহ ময়লার স্তুপ স্কুল কর্তৃপক্ষ কিম্বা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি পড়বে কি?

রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবাহান মৃধা জানান, স্কুলের ভবন নির্মাণের কারণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এই সব উপকরণ গেটের সামনে রেখেছে। তাদেরকে বারবার তাগাদা দিয়ে কাজ না হওয়ায় জেএসসি পরীক্ষার জন্য ইট বালু অপসরণ সহ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম আসাদুজ্জামান জানান, ইতিমধ্যে পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে উপকরণ ও দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে। যথা সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পূর্ণ হবে বলে তিনি আশা করেন।






মন্তব্য চালু নেই