মেইন ম্যেনু

নতুন প্রজন্মের সময়-সম্পদের অপচয় বাড়াচ্ছে স্মার্টফোন

প্রযুক্তি বিপ্লবের এই সময়ে স্মার্টফোন নতুন প্রজন্মকে যেমন সংযুক্ত করছে তেমনি বিবেক-বিবেচনাহীন ব্যবহারে সময়-সম্পদের অপচয়ও বাড়ছে। সংযোগ স্থাপনের যুগে অবশ্যই স্মার্টফোন গতিশীল বার্তা মাধ্যম তবে কিভাবে এর সঠিক ব্যবহার করতে হবে তার জন্য তরুণদের আরও সচেতন হতে হবে। শুধু প্রযুক্তির নেশায় না ডুবে বই পড়াকেও প্রাধান্য দিতে হবে।

‘নতুন প্রজন্মের ওপর স্মার্টফোনের প্রভাব’ বিষয়ে আলোচনায় সম্ভাবনার সঙ্গে সমস্যার এরকম নানা দিক উঠে এসেছে। শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোকাররম ভবনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বিজ্ঞান চর্চার ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘অনুসন্ধিৎসু চক্র’।

আলোচনা সভায় আসা নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স’র ফেলো অধ্যাপক ড. আলী আসগর।

প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় নতুন প্রজন্মকে আত্মসচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন উত্তরণের সময় চলছে, তবে উত্তরণে থাকতে হবে সতর্ক-সাবধান। নবীনদের লক্ষ্য হোক প্রজ্ঞা অর্জন। কিন্তু সৃজনশীলতা প্রাধান্য না পেয়ে কেবল কথিত বিদ্যা দিয়ে তা অর্জন করা যাবে না। অনেকেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে স্মার্টফোন ব্যবহার করে সময় অপচয় করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রযুক্তির ভালো-খারাপ দিক থাকে। এজন্য এর ব্যবহারে যথেষ্ট ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা থাকা জরুরি। এখন চোখ-কান দু’টোই স্মার্টফোনে আটকে যাচ্ছে। এটা বিপদ ডেকে আনতে পারে। এটা বন্ধে বিবেকবোধ জাগ্রত করতে হবে।’

এই বিবেকবোধ জাগ্রত করতে বই পড়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের অনারারি প্রফেসর অধ্যাপক খন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী বলেন, ‘স্মার্টফোন-ফেসবুকে আমরা সংযুক্ত যেমন হচ্ছি তেমনি পথও হারাচ্ছে অনেকে। প্রযুক্তির যুগে এখন তাই ভারসাম্য রক্ষা করাটা জরুরি।’

অগ্রসরমান এই সময়েও নারীকে রাস্তায় ফেলে কোপানোর প্রসঙ্গ টেনে প্রফেসর রব্বানী বলেন, ‘প্রযুক্তিতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি তবে মানবিকতায় আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি।’

এমন সংকট থেকে মুক্তির জন্য নৈতিকতার ভিত্তি মজবুত হওয়া উচিৎ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্মার্টফোনের ব্যাপারে নৈতিকতা গড়ার দায়িত্ব পরিবারের, সমাজের।’






মন্তব্য চালু নেই