মেইন ম্যেনু

নববর্ষের সঙ্গে ইলিশের কোনো সম্পর্ক নেই

‘নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে ইলিশ খাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।’ গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুক খুললেই চোখে পরে এই ক্যাম্পেইনটি।

ইলিশের সঙ্গে বাংলা নববর্ষের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি পান্তা-ইলিশ ভোজ করেন না- দুই বাংলায় এমন লোক খুব কম পাওয়া যাবে। নববর্ষকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই আকাশচুম্বী হয় ইলিশ মাছের দাম। আর তাই এবার দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইলিশবিরোধী ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাঙালিদের একাংশ।

নববর্ষের দিন খাবারের মেন্যুতে ইলিশ মাছ না রাখতে ফেসবুকে বেশ কয়েকটি ইভেন্ট তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ‘নববর্ষে আমি ইলিশ খাবো না’ উল্লেখযোগ্য। ইভেন্টটিতে ৩ হাজার ৩০০ ফেসবুক ইউজারকে ক্যাম্পেইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ইউজার এই ইলিশ বিরোধী ক্যাম্পেইনে সম্মতি দিয়েছেন।

ফেসবুকে ‘বাংলা নববর্ষে ইলিশ খাবো না, ইলিশ মাছ নিশ্চিহ্ন হবার কারণ হব না’ নামে আরেকটি গ্রুপ খোলা হয়েছে। এ গ্রুপেও সাড়া দিয়েছেন অনেকে। ইভেন্টগুলোতে বাঙালিরা ইলিশবিরোধী পোস্ট দিচ্ছে।

ইভেন্টগুলোতে ইলিশের প্রজননের এই সময়টায় ইলিশ নিধন ও খাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

জাতীয় মাছ ইলিশ রক্ষার স্বার্থে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের পহেলা বৈশাখে ইলিশ না খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সাদ নামে একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট বলেন, আমার ৩-৪ পুরুষ বৈশাখে পান্তা ইলিশের রেওয়াজের কথা শোনেনি বা কোথাও লেখা দেখেননি। অথচ বৈশাখ আসলেই ইলিশের কেজি ২-৩ হাজার টাকা ছাড়ায়। নিম্নবিত্তদের সঙ্গে এটি একটি পরিহাস।

এদিকে বৈশাখে ইলিশ মাছ কিনতে এবং বিক্রি করতে ইতোমধ্যে সোচ্চার হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকটি প্রথম সারির গণমাধ্যম। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ক্যাম্পেইনকে উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান ও নামিদামী রেস্টুরেন্টগুলোতে পান্তা-ইলিশ খাওয়ানোর আয়োজন করা হয়েছে। এমনকি পহেলা বৈশাখের সকালে পান্তা-ইলিশ দিয়ে সাংবাদিকদের আপ্যায়নের ব্যবস্থাও করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।






মন্তব্য চালু নেই