মেইন ম্যেনু

নববর্ষে পুরুষের সাজ

নববর্ষে সাজবে গোটা জাতি। এই দিনে পুরুষের সাজের থাকবে বিশিষ্টতা। অনুষঙ্গের আধিক্য না থাকলেও তাদের সাজ পোশাকে ফুটে উঠবে উৎসবের প্রাণময় আবেশ। বাঙালি পুরুষের বৈশাখ বরণে সাজ বলতে ধুতি-পাঞ্জাবির কথা আগে আসে। সঙ্গে থাকতে পারে ফতুয়া, কোর্তা, পাজামা, চুড়িদার ইত্যাদি। এইদিনে শুধু রঙ বাহারে নয় বরং রঙ খেলানো এবং ঋতুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরামদায়ক পোশাকগুলো বেশি প্রাধান্য পায়।

আমাদের সংস্কৃতিতে বাঙালি পোশাকের অন্যতম জায়গা দখল করে আছে পাঞ্জাবি। আর বৈশাখ এলে তো নতুন পাঞ্জাবি চাই-ই চাই। বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে রকমারি ডিজাইনের পাঞ্জাবি। ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের পাঞ্জাবির কোয়ালিটি ভেদে দেখা যায় দরদামের ভিন্নতা।

ফরমাল, স্লিম আর শর্ট- এই তিন ধরনের পাঞ্জাবির মধ্যে আছে কিছু নতুনত্ব। বৈশাখে সাধারণত বেশিরভাগ মানুষই একটু গাঢ় রঙের দিকে ঝোঁকে অথবা কেউ বেছে নেয় সাদা। পাঞ্জাবির মূল নতুনত্ব থাকতে পারে বেসিক ডিজাইন। প্রিন্টের মধ্যেই চোখ ধাঁধানো আর জমকালো পাঞ্জাবিও বেছে নিতে পারেন।

বোতাম, ফেব্রিক্স, বাটিক বা ব্লকের পাঞ্জাবি হতে পারে সুতি, সিল্ক, হাফসিল্ক বা খদ্দরের কাপড়ে। এগুলোর দাম পড়বে ৭০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।

ফতুয়ার ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন আরামদায়ক কাপড়টি। তবে পাঞ্জাবির সঙ্গে আপনার চেহারায় সম্পূর্ণ ভিন্ন লুক আনতে পারে সালোয়ার, ধুতি, বা চুড়িদারে। গলায় ঝোলাতে পারেন মানান সই একটি দোপাট্ট বা ওড়না। পায়ে পরতে পারেন চটি জুতা। সব মিলিয়ে সাজে থাকতে পারে একটি আধুনিক মৌলিকত্ব।

এইদিনে কেউ কেউ আরামদায়ক টিশার্টও বেছে নেন। দেশীয় ফ্যাশনহাউজগুলো বৈশাখী আমেজে এনেছে নিত্য নতুন ডিজাইনের টিশার্ট। আপনার জন্য স্বস্তিকর যেকোনো পোশাকই বেছে নিতে পারেন এই দিনে। উৎসবের সাজে দিনভর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে থাকুন কোনোরকম পীড়া ছাড়া।






মন্তব্য চালু নেই