মেইন ম্যেনু

নাইকো মামলার চার্জ শুনানি ১০ আগস্ট

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা নাইকো দুর্নীতি মামলায় চার্জ গঠনের শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১০ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ জজ মো. আমিনুল ইসলাম সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ঠিক করেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে সময়ের আবেদন করেন সানাউল্লাহ মিয়া।

সানাউল্লাহ মিয়া জানান, সোমবার মামলাটিতে চার্জ গঠনের উপর শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হতে না পারায় এবং মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করায় চার্জ গঠনের শুনানি পেছানোর জন্য সময় আবেদন করা হয়। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে ১০ আগস্ট ধার্য করেছেন।

মামলাটিতে গত বছর ৩১ নভেম্বর বিচারিক আদালতে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করলে আদালত খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেন।

চার্জশিটের বৈধতা চ্যলেঞ্জ করে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে ২০০৮ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। গত বছর ১৮ জুন হাইকোর্ট রুল
ডিচার্জ করে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন।

উল্লেখ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দেয়ার অভিযোগে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগে মামলাটি করা হয়। ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলাটি তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

মামলাটিতে খালেদা জিয়া ছাড়াও আরো ১০ জন আসামি রয়েছেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন- চার দলীয় জোট সরকারের আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একে এম মোশাররফ হোসেন, তখনকার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া (সিলভার সেলিম) এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।






মন্তব্য চালু নেই