মেইন ম্যেনু

নামাজের জন্য প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ

আর দুই দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। জাতীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে দেশের প্রধান ঈদ জামাত। সকাল সাড়ে ৮টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় ঈদগাহে এক সঙ্গে লক্ষাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন। এখানেই দেশের রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনীতিকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে এক কাতারে নামাজ আদায় করবেন।

ঈদুল আজহার নামাজের জন্য প্রস্তুত হাইকোর্ট সংলগ্ন বিশাল জাতীয় ঈদগাহ ময়দান।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঈদে জামাতের জন্য জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে সুসজ্জিত করে প্রস্তুত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৪৩ হাজার বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পিয়ারু সর্দার অ্যান্ড সন্স ডেকোরেটরের ম্যানেজার মোজাম্মেল হক বলেন, ‘প্রায় ২ লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট জাতীয় ঈদগাহ ময়দানটি প্রস্তুত করতে গত ২৩ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২০ জন শ্রমিক দিন-রাত কাজ করেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘পুরো মাঠে বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল তৈরি ও ত্রিপল টানানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃষ্টিতে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য ওপরে দেওয়া হয়েছে মোটা ত্রিপলের ছাউনি। পানি নিষ্কাশনের জন্য রাখা হয়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা।’

অজু করার জন্য পানির ট্যাপগুলোকে ঠিকঠাক করে লাগানো হয়েছে। ১৪০ জন মুসল্লি এক সঙ্গে অজু করতে পারবেন এখানে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ভ্রাম্যমাণ টয়লেট থাকবে ঈদগাহ মাঠে। মাজারের টয়লেট ব্যবহার করবেন ভিআইপিরা। ঈদগাহ মাঠে ৭০০ সিলিং ফ্যান, ৪৬০টি লাইট ও ৫৪টি মেটাল লাইট লাগানো হবে। ৬০ থেকে ৭০টি মাইক লাগানো হবে মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে। ঈদগাহ মাঠে ফটক রাখা হয়েছে তিনটি। মূল গেট ছাড়াও দক্ষিণ পাশে ও মাজারের দিকে একটি গেট করা হয়েছে।

জাতীয় ঈদগার দক্ষিণ পাশে নারীদের ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য পর্দা দিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ৫ থেকে ৬ হাজার নারী এখানে নামাজ আদায় করতে পারবেন। কূটনৈতিক মিশনের সদস্য ও তাদের স্ত্রীদের নামাজের জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মুসল্লিদের নিরাপত্তা দিতে মাঠে তৈরি করা হয়েছে র‌্যাব ও পুলিশের জন্য দুটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ। নিরাপত্তার সঙ্গে ঈদগাহ মাঠ ও এর আশপাশে লাগানো হয়েছে কোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরাসহ আধুনিক সরঞ্জামাদি। ঈদগাহ ময়দানের চারপাশ জুড়ে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিসি ক্যামেরায় থাকবে সার্বক্ষণিক নজরদারি। ভিআইপিদের জন্য ভেতরে প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট জায়গা আলাদা নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকবে।






মন্তব্য চালু নেই