মেইন ম্যেনু

নারীদের ডিভোর্স যেখানে উৎসব!

একটি সংসার ভেঙ্গে যাওয়া অবশ্যই অনেক কষ্টের একটি বিষয়। কিন্তু যখন দুইজনের মাঝে কোন প্রকারের কোন মিল থাকে না এবং বিশেষ করে মনের মিল থাকে না, তখনই ডিভোর্সের প্রসঙ্গ চলে আসে।

নিঃসন্দেহে ডিভোর্স শুধু দুই ব্যক্তির মাঝে হলেও এর কষ্ট দুই পরিবারের সদস্যরা ভোগ করে। কিন্তু পৃথিবীতে এমন একটি দেশ রয়েছে যেখানে ডিভোর্স দেয়া হলে মেয়ের পরিবার তা অত্যন্ত আনন্দের সাথে উৎযাপন করেন। আফ্রিকার তুরেগ ট্রাইব এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে এই বিষয় লক্ষ্য করা যায়।

সেখানে যখন ডিভোর্স হয় তখন মেয়ে তার স্বামীর নিকট যা চাইবে তাকে তা প্রদান করতে হয়। তাই নারীদের পরিবারের সদস্যরা বিবাহ-বিচ্ছেদে আনন্দ-উল্লাস করে।

সে দেশের নারীরা যে কোন সময় যে কোন কারণে তাদের স্বামীকে ছেড়ে দিতে পারেন। অন্য সব স্থানের তুলনায় এই এলাকার মাঝে সবচেয়ে বেশি পার্থক্য হল এখানের নারীরা ইচ্ছা করলে একাধিক পুরুষের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারে। এই কাজ তাদের মাঝে বৈধ।

যে কোন ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে নারীদের মতের প্রাধান্য দেয়া হয়। তাদের সিদ্ধান্ত সকলে মেনে নেন।

এখানের আরও একটি আইন হল এখানের নারীরা কখনও তাদের চেহারা কাপড়ের আড়ালে রাখে না। যেন পুরুষেরা তাদের চেহেরা দেখতে পায়।

যখন কোন পুরুষ প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যান, তখন তাদের পর্দা করে চলতে হয়। অর্থাৎ তারা কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে চলাচল করে।

বড়ই বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবী। আর এই দেশের বিচার হয়ত বাকি সকল দেশের তুলনায় আলাদা।–সূত্র: দ্যা স্টোরি পিডিয়া।






মন্তব্য চালু নেই