মেইন ম্যেনু

নারী ফুটবল দলে ৮ জন পুরুষ!

নারী ফুটবল দলে নারীরাই খেলবেন। সেটাই অনুমিত। কিন্তু এবার সেটার ব্যত্যয় ঘটেছে। ইরান নারী ফুটবল দলের ১১ জন খেলোয়াড়ের ৮জনই পুরুষ! এমনই খবর প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ডের টেলিগ্রাফ পত্রিকা। তবে ইরান নারী দলে যে আটজন পুরুষ রয়েছেন তারা লিঙ্গ পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন। তেমনটাই দাবি করেছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের একজন কর্মকর্তা। তবে সবকিছু জেনে শুনে নারী ফুটবল দলে আটজন পুরুষ অন্তর্ভূক্ত করাটি অন্যায়। এ বিষয়ে ইরানিয়ান লিগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘৮জন পুরুষ খেলোয়াড় তাদের লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রীয়া পুরোপুরি সম্পন্ন না করেই নারী ফুটবল দলের হয়ে খেলেছে। হরমোন থেরাপির মাধ্যমে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে দুই বছরের মতো সময় লাগে।’

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ওই ৮জন খেলোয়াড় কী সত্যিই তাদের লিঙ্গ পরিবর্তন করতে আগ্রহী? নাকি তাদের দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে!

টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ফতোয়া ও ধর্মীয় আইন অনুযায়ী ইরানে লিঙ্গ পরিবর্তন বৈধ। আয়াতুল্লাহ রুহোল্লাহ খমেনি লিঙ্গ পরিবর্তনকে বৈধ বলে ঘোষণা করেছিলেন। তবে এই আইন অনেক ক্ষেত্রেই সাংঘর্ষিক। বৈধ শরীয়াহ কোড অনুযায়ী হোমোসেক্সুয়ালিটি ও বিবাহপূর্ব শারীরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

তবে ইরান নারী দলে পুরুষ খেলোয়াড়দের খেলা নতুন কিছু নয়। এর আগেও এমনটি ঘটেছে। লিঙ্গ জালিয়াতির কারণে এর আগে লিগ থেকে ৭ ফুটবলারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নতুন করে এমন খবর প্রকাশিত হওয়ায় ইরান ফুটবল ফেডারেশন নারী ফুটবল দলের লিঙ্গ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে। শুধু নারী ফুটবল দলের নয়, লিগে খেলা বিভিন্ন ক্লাবের নারী ফুটবল দলেরও লিঙ্গ পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই