মেইন ম্যেনু

নারী ভক্তদের বুকখোলা জার্সি নিয়ে তোলপাড়

শুক্রবার নতুন মৌসুমের জার্সি বাজারে ছেড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এবারই প্রথম খ্যাতিমান স্পোর্টস পণ্য তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস তাদের জার্সি প্রস্তুত করার দায়িত্ব পায়। জার্মানির এই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সঙ্গে জার্সি প্রস্তুতের জন্য ৭৫ কোটি পাউন্ডের চুক্তি হয়। অ্যাডিডাস দায়িত্ব পাওয়ার পর সাহস করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নারী ভক্তদের জন্য ভিন্ন ডিজাইনের জার্সি তৈরি করার।

সেটার জন্য তারা কয়েক দিন জরিপও চালায়। সেটার ফলস্বরূপ ম্যানইউর নারী ভক্তদের জন্য কিছুটা বুকখোলা জার্সি তৈরি করে। কিন্তু এই জার্সি বাজারে আসার পরই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। অনেকেই বুকখোলা এই জার্সি পছন্দ করতে পারেনি। তবে ছেলেদের জার্সি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

তেমনই একজন ম্যানইউ সমর্থক টুইটারে লিখেন, ‘ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের জার্সির ভি-নেক এত নিচু কেন? আমাদের কেউ কেউ কিন্তু বুকের ভাঁজ দেখাতে একদম পছন্দ করে না। আমি একে বৈষম্যই বলতে চাই। নাইকি কখনোই এমনটা করত না।’

রয় ওরস্ট্যাড নামের এক ম্যানইউ সমর্থক টুইটারে লিখেছেন, ‘মেয়েদের জার্সিটা একই সঙ্গে ভয়ংকর আর বৈষম্যমূলক। এটা খুব লজ্জাজনক। কারণ, ছেলেদের জার্সিটা দারুণ।’

আন্দ্রেয়া রাইডার নামে এক নারী সমর্থক টুইট করেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নারী জার্সির আকৃতি পছন্দ হয়েছে।’

এ বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে অ্যাডিডাস কর্তৃপক্ষ জানায়, ভক্তদের ওপর গবেষণা ও জরিপ চালিয়ে আমরা মেয়েদের জার্সি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটাকে আমাদের জীবনধারাভিত্তিক একটি পণ্যই বলা যায়। জার্সিটার ডিজাইন কিছুটা ভিন্ন ধরনের। এর আগে চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের মতো বড় ক্লাবের নারী ভক্তদের জার্সি তৈরি করলেও সেসব নিয়ে কখনো কোনো অভিযোগ ওঠেনি।’






মন্তব্য চালু নেই