মেইন ম্যেনু

নিজামীর আপিলের চূড়ান্ত রায় কাল

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর আপিলের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল বুধবার।

আপিলের যুক্তি খণ্ডন শেষ করে গত ৮ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন। বেঞ্চের অপর তিন সদস্য হলেন : বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

দুই পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন শেষে ওইদিন আদালত বলেন, ‘শুনানি শেষ হলো, রায়ের জন্য ৬ জানুয়ারি দিন রাখা হলো।’

রায়ের তারিখ নির্ধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ওইদিন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেছিলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির সাজা বহাল না থাকলে দেশ ও জাতি হতাশ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যে চারটি হত্যা-গণহত্যা ও ধর্ষণের দায়ে ট্রাইব্যুনালের রায়ে নিজামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে, সেগুলোতে সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।’

অন্যদিকে একাত্তরে নিজামীর দল জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে কাজ করেছে বলেই একজন কর্মী হিসেবে তিনিও (নিজামী) রাজনৈতিক বিশ্বাসে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন নিজামীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, যে সাক্ষ্য প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে তার মক্কেল ‘নির্দোষ’ প্রমাণিত হবে, তিনি ‘খালাস’ পাবেন।

২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মতিউর রহমান নিজামীকে ফাঁসির দণ্ড দেন। রায়ে ১৬টি অভিযোগের মধ্যে আটটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে ২, ৪, ৬ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে বুদ্ধিজীবী হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, সম্পত্তি ধ্বংস, দেশত্যাগে বাধ্য করার অপরাধে নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর দেয়া এ রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ২৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী। ৬ হাজার ২৫২ পৃষ্ঠার আপিলে ফাঁসির আদেশ বাতিল করে খালাস চেয়েছেন নিজামী। মোট ১৬৮টি কারণ দেখিয়ে এ আপিল করা হয়।






মন্তব্য চালু নেই