মেইন ম্যেনু

নিজের গাড়িচালককে প্রেসিডেন্ট করছেন সু চি

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমক্রেসি (এনএলডি) দুইজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল দেশটির বৃহত্তম এই রাজনৈতিক দলটি।

এটি প্রায় নিশ্চিত যে এনএলডি নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্টে থিন কিয়াওই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। কারণ তিনি সু চির খুব কাছের মানুষ এবং বন্ধু। অবশ্য, সু চি এরআগে বলেছিলেন, তার স্থান প্রেসিডেন্টের ‘উপরেই’ হবে।

দেশটির গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির ছোটবেলার বন্ধু হতিন কিয়াও সুখে-দুঃখে সব সময় সু চির পাশে থেকেছেন। একসময় সু চির গাড়িও চালিয়েছেন। বিপদের সময় এবারও এই বন্ধুকেই মনোনীত করেছেন সু চি।

২০০৮ সালে সেনাবাহিনীর প্রবর্তিত সংবিধানের ধারা অনুযায়ী, স্বামী-সন্তান বিদেশি নাগরিক হওয়ায় এনএলডি প্রধান সু চি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে পারবেন না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন সু চি। বন্ধু ও কাছের মানুষ হতিন কিয়াও প্রেসিডেন্ট হলে তাঁর মাধ্যমেই সু চি দেশ শাসন করতে পারবেন বলে মনে করছেন বিজ্ঞজনেরা।

হতিন কিয়াও বিখ্যাত কবি ও এনএলডির প্রবীণ নেতা মিন থু উউনের ছেলে। মিয়ানমারে গণতন্ত্রের আন্দোলনের সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সু চির পাশে সব সময় থেকেছেন কিয়াও।

কিয়াওয়ের স্ত্রী সু সু এলউইন এনএলডির সংসদ সদস্য। এলউইনের বাবা একসময় দলের মুখপাত্র ছিলেন। স্বল্পভাষী কিয়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। সত্তর ও আশির দশকে তিনি শিল্প ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন।

মিয়ানমারের পার্লামেন্টের দুই কক্ষে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ভোটাভুটি হবে। দুই কক্ষেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এনএলডির। নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনে পার্লামেন্টে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এনএলডি। তবে মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের এক-চর্তুথাংশ আসন সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত থাকবে।






মন্তব্য চালু নেই