মেইন ম্যেনু

নিজের ডিগ্রি নেই তবুও তারা পিএইচডির শিক্ষক

নিজের পিএইচডি ডিগ্রি নেই। অথচ তিনি অন্যের পিএইচডি গবেষণার তত্ত্বাবধান করছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছেন এমন ১২ জন শিক্ষক। এর মধ্যে বাংলা বিভাগে ১ জন, ইংরেজি বিভাগে ৩ জন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগে ২ জন, অর্থনীতি বিভাগে ৩ জন, ভূগোল ও পরিবেশে ১ জন, গণিতে ২ জন। তারা কিভাবে পিএইচডি তত্ত্বাবধান করেন? এ প্রশ্নে জাবি’র ডেপুটি রেজিস্ট্রার (উচ্চ শিক্ষা ও বৃত্তি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, সারা বিশ্বে প্রফেসররা পিএইচডি গবেষণার তত্ত্বাবধান করতে পারেন। শুধু প্রভাষক ও সহকারী প্রভাষকরা পারেন না।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকেই মিথ্যা ও ভুয়া থিসিসে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষক। কিন্তু ধরা পড়ে যাওয়ায় তার ডিগ্রি বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই শিক্ষকের মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য দিয়ে জমা দেয়া গবেষণাপত্রে পিএইচডি ডিগ্রি দেয়া হয়েছিল জাবি থেকে। ওই শিক্ষক তার থিসিসে ৮০টি দেশের ১২ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি লোকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। আর ওই সাক্ষাৎকার নিতে কয়েকজন সহকারী নিয়োগ করেছিলেন তিনি। তার দাবি, পিএইচডি একটি সংগঠিত গবেষণা প্রক্রিয়া। সেখানে সহকারী নিয়োগ করা যেতেই পারে। তবে, তদন্ত কমিটির কাছে ই-মেইলে যেসব সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তার পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। বছর দেড়েক আগের ঘটনা-একটি ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহারের অভিযোগে স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রো-ভিসিকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় র্কর্তৃপক্ষ। ইউজিসি এ ঘটনার তদন্ত করে। ২০১৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের একজন অধ্যাপক অনলাইনে একটি পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছিলেন অর্থনীতিতে তথা ব্যবসা প্রশাসন বিষয়ে। যদিও এ বিষয়ে তার অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি ছিল না। তিনি কেবল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসা প্রশাসনের ক্লাস নেয়ার জন্য এই ডিগ্রি ব্যবহার করেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নয়, রাজধানীর অলিগলিতে এখন পিএইচডি ডিগ্রি দেয়া প্রতিষ্ঠান গজিয়ে উঠেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এখন পিএইচডি বাণিজ্য শুরু করেছে। এখন টাকা হলেই থিসিস ও পিএইচডি ডিগ্রি পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এক সময় পিএইচডিধারীদের দেখতে ভিড় জমাতো লোকজন। এখন তাকায়ও না। কারণ মান কমে যাওয়া। যত্রতত্র ডিগ্রি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা শুধু বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত মুনাফার উদ্দেশ্যে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পিএইচডির তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছেন। পরবর্তীতে তারা এদের কাছ থেকে নানা সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন এমন অভিযোগ আছে। এটি মোটেও সুখকর নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, পিএইচডি ডিগ্রির সংখ্যা শুনলে হাসি পায়। চাকরি থেকে ছুটি না নিয়েও নাকি গবেষণা করা যায়। যারা দিনে আধা ঘণ্টা সময় পায় তারা কিভাবে পিএইচডি ডিগ্রি গবেষণা করে তা হাস্যকর বিষয়। তিনি বলেন, দেশের প্রায় প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় পিএইচডি দেয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এটি বন্ধ হওয়া উচিত।

জাহাঙ্গীরনগরে ৪ বছরে ৪৯৯ জনের ডিগ্রি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় পিএইচডি ডিগ্রির কারখানা। শীর্ষস্থানীয় আমলা, পুলিশ, সামরিক বাহিনীর অফিসারসহ সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেয়ার জন্য। হঠাৎ করে পিএইচডি ডিগ্রি দেয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় গত ২২শে ফেব্র“য়ারি ইউজিসির পক্ষ থেকে জাবি’র রেজিস্ট্রারের কাছে এমফিল, পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তিকৃত গবেষকদের যোগ্যতা, ডিগ্রি প্রদান এবং একজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে গবেষকদের সংখ্যা সম্পর্কে জানতে চায়। সেখানে কমিশন জাবি’র ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

কমিশন বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে অনেক শর্ত শিথিল করে জাবিতে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি করানো হচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে মোট ৪৯৯ জন ডিগ্রি নিয়েছেন। ডিগ্রি প্রাপ্তদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য, একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য, পুলিশের আইজি, অতিরিক্ত আইজিপি, সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমলা, ব্যাংকের কর্মকর্তা, ডাক্তার, ইউজিসির কর্মকর্তাসহ অনেকেই আছেন। তারা কেউ চাকরি থেকে ছুটি নেননি। অথচ ভর্তি নীতিমালায় পূর্ণকালীন চাকরিদাতাদের বর্তমান কর্মস্থলের নিয়োগকর্তার স্বাক্ষরিত ছুটির কাগজ দেয়া বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তারা একদিনের জন্য লাইব্রেরিতে যাননি। কিভাবে গবেষণা করেছেন তাও অজানা। তবে ডিগ্রি পেয়েছেন। সবাই নিজের নামের পাশে ‘ড.’ শব্দটি ব্যবহার করছেন ”

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তি) ড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সকল নিয়মকানুন মেনেই পিএইচডি ডিগ্রি দেয়া হচ্ছে। তারা যেহেতু খ-কালীন গবেষণা করছেন তাই তারা ছুটির পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র এনেছেন। একজন শিক্ষক তিন জনের বেশি গবেষকের তত্ত্বাবধান করতে পারেন না বলেও জানান তিনি। কিন্তু ইউজিসিকে দেয়া জাবি’র তথ্যে বলছে একজন শিক্ষক ১২ জনের বেশি গবেষককে তত্ত্বাবধান করছেন।

থিসিস মূল্যায়নে সিন্ডিকেট : গবেষকদের থিসিস দেশের বাইরের পরীক্ষকদের দিয়ে মূল্যায়নের নিয়ম থাকলেও বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় সেটি মানছে না। আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো থিসিস দেশের বাইরে পাঠানো হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, দেশেই এখন পর্যাপ্ত থিসিস বহি পরীক্ষা করার মতো অভিজ্ঞ লোকজন আছে। তাছাড়া, দেশের বাইরে থিসিস পাঠানোর খরচ বেশি। এ জন্য দেশীয় পরীক্ষক দিয়ে থিসিস বহি পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এই সুযোগে তত্ত্ববধায়করা নিজের মধ্যে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে নেয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বিভাগের শিক্ষকরা এরকম সিন্ডিকেট তৈরি করার অভিযোগ আছে। তারা আগেই সমঝোতার মাধ্যমে ঠিক করেন বহি পরীক্ষার জন্য কোন্ থিসিস কার কাছে যাবে।
জাবি’র রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দেয়া তথ্যমতে, লোক প্রশাসন বিভাগের একজন শিক্ষক একাই ১২ জন গবেষকের তত্ত্বাবধায়ন করেছেন। এই ১২ জনের মধ্যে বেশিরভাগ প্রভাবশালী ব্যক্তি। পুলিশের সাবেক আইজি, অতিরিক্ত আইজি, ইউজিসি’র কর্মকর্তা, আমলারা আছেন সেই তালিকায়। এই শিক্ষক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সিন্ডিকেট করে থিসিস বহি পরীক্ষা করান। তিনি নিজেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। বর্তমানে তিনি পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য। একই অভিযোগ, প্রতœতত্ত্ব, বাংলা, সরকার ও রাজনীতি, ইতিহাস বিভাগের বিরুদ্ধে রয়েছে। এ ব্যাপারে জাবি’র ডেপুটি রেজিস্ট্রার বলেন, এটি সঠিক নয়। কারণ কার থিসিস বহি পরীক্ষার জন্য পরবর্তীতে কোথায় যাবে সেটি একাডেমিক কাউন্সিল নির্ধারণ করেন। ওই শিক্ষকের তেমন কিছু করার নেই।

টাকায় মিলছে থিসিস : নবীন গবেষকরা রাজধানীর নীলক্ষেতকে ইদানীং থিসিসের আঁতুরঘর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। অনার্স, মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি সকল ধরনের থিসিস এখানে পাওয়া যায়। এছাড়া, একজনের থিসিস অন্যজন হুবহু নকল করে জমা দেয়ার রেকর্ড আছে। গত বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রের থিসিস হুবল নকল করে একজন শিক্ষক তার গবেষণা কাজে ব্যবহার করেন। পরে এটি ধরা খেলে ওই শিক্ষকের ডিগ্রি সাময়িক বাতিল করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষক ড. ফজলে খোদা সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি তার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমার পিএইচডি করতে ৫ বছর সময় লেগেছে। গবেষণা সময় দিতে গিয়ে আমি আমার পরিবারকে সময় দিতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি দুই দফা বাড়িয়েছি। কয়েক দফা থিসিস বাতিল হয়েছে। পুনরায় করতে হয়েছে। আর বাংলাদেশে নাকি অনলাইনের পিএইচডি পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, পূর্ণকালীন চাকরিজীবীরা ছুটি না নিয়ে গবেষণা করতে পারেন। তার মতে, পিএইচডি পর্যায়ে খ-কালীন গবেষণা করা মুশকিল। এটা সম্ভব না। তারপরও বাংলাদেশে এগুলো হচ্ছে। বাংলাদেশে পিএইচডি মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বলে মত তার।

টাকায় মিলছে পিএইচডি : কোনো গবেষণা ছাড়াই পাওয়া যাচ্ছে পিএইচডি। এটি অবশ্য বেসরকারি পর্যায়ে। রাজধানীতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই প্রোগ্রামে ভর্তি করান। এরকম একটি প্রতিষ্ঠান আমেরিকা ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠান মাত্র সাড়ে ৩ লাখ টাকায় পিএইচডি ডিগ্রি দিয়ে থাকে। তাও কোন দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি নয়, আমেরিকান একটি ইউনিভার্সিটির ডিগ্রি। শুনলে আশ্চর্য হওয়ার কথা। কিন্তু আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। খোদ রাজধানীর ঢাকায় বসে আমেরিকার পিএইচডি ডিগ্রি দিচ্ছেন ‘আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমতি না থাকলেও নামে-বেনামে ডিগ্রি দিচ্ছেন তারা। আমেরিকার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশ স্ট্যাডি নামে ভুয়া প্রতিষ্ঠান খুলে প্রতিষ্ঠানটি ভুয়া এমফিল, পিএইচডি, অনার্স, মাস্টার্সসহ ৭ ধরনের ডিগ্রি বিক্রি করছে তারা। আর এসব ডিগ্রি ভাগিয়ে নিয়ে শিক্ষকতা পেশা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করছেন অনেকেই। দীর্ঘ দিন ধরে এই ভুয়া ডিগ্রি দিয়ে সরকার থেকে অতিরিক্ত সুবিধাও নিচ্ছেন তারা। তবে দুই দফা ইউজিসি এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে। প্রথম দফায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সেলিম ভূঁইয়া গ্রেপ্তার হয়। জামিনে বের হয়ে পরবর্তীতে ঠিকানা বদলে ফের শুরু করেন এই ব্যবসা। গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশের ঝামেলার কারণে দুই মাস আগে তৃতীয় দফা তিনি তার প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা বদল করে আবার শুরু করেছেন সেই ব্যবসা। ইউজিসি তাকে আবার খুঁজছে।

ইউজিসি’র অতিরিক্ত পরিচালক (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) ফেরদৌস জামান বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের মালিককে আমরা খুঁজছি। পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন বাহিনীর কাছে তার তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া, আমাদের নিজস্ব কৌশলে তাকে খোঁজা হচ্ছে।

অভিযোগ আছে, এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের দপ্তর শাখার একজন এখান থেকে ডিগ্রি নিয়েছেন। তিনি তার ডিগ্রি স্পেরছে ব্যবহার করছেন। এছাড়া পুলিশ, র‌্যাব, আইনজীবী, ডাক্তার, আমলা বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা এখান থেকে ডিগ্রি নিয়েছেন কোনো ধরনের গবেষণা ছাড়াই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এই প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি নিয়েছেন। একসময় তার নামের পাশে ড. ব্যবহার করলেও কিছু দিন ধরে তা আর করছেন না। ইউজিসির কর্মকর্তা বলছেন, এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ হতে ৬ হাজার লোককে পিএইচডি ডিগ্রি দেয়া হয়েছে যার কোনো একাডেমিক মূল্য নেই। মানবজমিন






মন্তব্য চালু নেই